দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৫ জানুয়ারি ২০২৬-এ কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা পূর্ববর্তী সতর্কবার্তারই ধারাবাহিকতায় এই নতুন পরামর্শ। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় ছাত্র, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী ও পর্যটক—সকল ভারতীয় নাগরিককেই নিরাপত্তার স্বার্থে ইরান ত কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি সকল ভারতীয় ও পিআইও-দের সতর্ক থাকার, বিক্ষোভ ও জমায়েত এলাকা এড়িয়ে চলার, স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার এবং দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ শিক্ষক নিগ্রহে তোলপাড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা উপাচার্যের
নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, পাসপোর্টসহ সমস্ত ভ্রমণ ও পরিচয়পত্র সবসময় হাতের কাছে রাখতে হবে। যারা এখনও দূতাবাসে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেননি, তাঁদের অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করার অনুরোধ করা হয়েছে। ইন্টারনেট সমস্যার ক্ষেত্রে ভারতের পরিবার সদস্যদেরকেও এই কাজ সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে দূতাবাস। জরুরি পরিস্থিতির জন্য একাধিক হেল্পলাইন নম্বর ও ইমেল ঠিকানাও প্রকাশ করা হয়েছে।
এই সতর্কবার্তা জারির পিছনে রয়েছে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বাড়তে থাকা সংঘাতের আশঙ্কা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছেন এবং প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিতও দিয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে সীমিত সামরিক হামলার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আগামী বৃহস্পতিবার জেনেভায় দুই দেশের পরবর্তী দফার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী কূটনৈতিক মহল। এর মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের বিক্ষোভ ও পাল্টা প্রতিবাদের ঘটনাও সামনে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
