ইউনূসের আমলে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়৷ প্রায় দু’মাস আগেই স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল ভিসা পরিষেবা৷ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন শুক্রবার থেকে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু করেছে তারেক সরকার৷ বিএনপির আমলে ঢাকা-নয়াদিল্লির সম্পর্ক মসৃণ হতে চলেছে, তারই ইঙ্গিত মিলল এই ঘোষণায় বলেই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের৷
advertisement
আরও পড়ুন: প্রয়াত সাহিত্যিক শংকর! ‘জন অরণ্যে’ আজ বিষাদের ছায়া, বাংলার সাহিত্যের এক যুগের অবসান
সুখবর মিলেছে দিল্লির তরফ থেকেও৷ বাংলাদেশের ঘোষণার ঠিক একদিন আগেই বাংলাদেশে ভারতীয় দূতাবাসের এক উর্ধ্বতন আধিকারিক জানান, ভারতও শীঘ্রই বাংলাদেশে সব ধরনের ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি পুনরায় চালু করবে। গত ডিসেম্বর মাসে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক তলানিতে ঠেকার পর উভয় দেশই কনস্যুলার ও ভিসা পরিষেবা স্থগিত করেছিল।
বৃহস্পতিবার সিলেটে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে চালু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসা ও ডাবল-এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হলেও খুব শীঘ্রই পর্যটন-সহ অন্যান্য সব বিভাগ পুনরায় চালু হবে।
দুই দেশের সম্পর্কে ইতিবাচক পরিবর্তনের এই প্রাথমিক পদক্ষেপগুলিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে এই সপ্তাহেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র পক্ষ থেকে তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। পাশাপাশি মোদির একটি আমন্ত্রণপত্রও তুলে দেন।
এখন দেখার বিষয়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান কি প্রচলিত রীতি মেনে প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে দিল্লিকেই বেছে নেন কিনা। উল্লেখ্য, এর আগে মুহাম্মদ ইউনুস সেই প্রথা ভেঙে গত বছর প্রথম সফরে চীন যান, যা নয়াদিল্লির অস্বস্তির কারণ হয়েছিল।
