পুজো মানেই মিষ্টি মুখে বোধন থেকে বিজয়া। বর্তমান সময়ে জেলার এক প্রান্তে যখন বাহারি মিষ্টিতে পুজো আয়োজনে। তখন অপর প্রান্তে মাত্র দু -তিন টাকার রসগোল্লাতেই মানুষের পুজোর আনন্দ।
আরও পড়ুন: ‘ফেলনা’ জিনিস দিয়ে সেজে উঠেছে এই মণ্ডপ! বার্তা একটাই পরিবেশ বাঁচান
কমবেশি প্রায় সারা বছর এলাকায় তিন টাকার রসগোল্লা বা পান্তুয়ার বেশ চল। শুধু ৩ টাকা নয়, একটু বেশি অর্ডার দিলে মাত্র ২ টাকাতেও মিষ্টি। তাও আবার খাঁটি ছানার রসগোল্লা। বর্তমানে যেখানে মিষ্টি বললে পাঁচ টাকা বা দশ টাকার নিচে ভাবা যায় না। সেখানে দুই তিন টাকার রসগোল্লা শুনতে অবাক লাগে ।
advertisement
তবে সত্যি, হাওড়া শ্যামপুর শিবগঞ্জ এলাকায় অধিকাংশ মিষ্টির দোকানে তিন টাকার রসগোল্লা পান্তুয়া পাওয়া যায়। কয়েক দশক রসগোল্লা-পান্তুয়ার দাম অপরিবর্তন। এমন অনেকেই যারা শৈশবে তিন টাকাতে মিষ্টি স্বাদ নিয়েছে। বর্তমান সময় তাদের মধ্যে কেউ ৩০ কেউ বা ৪০ বছরে এসে পৌঁছেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের অধিকাংশ ময়রার দোকানে তিন টাকায় রসগোল্লা পান্তুয়া পাওয়া যায়। এটা কোন অস্বাভাবিক ঘটনা নয় তাদের কাছে। তবে এ ঘটনা অবাক করার মতোই জেলা জুড়ে।
এ প্রসঙ্গে এক বিক্রেতা অপূর্ব মান্না জানান, প্রায় সারা বছর তিন টাকার রসগোল্লা পাওয়া যায়। অর্ডার অনুযায়ী দু টাকাতেও রসগোল্লা করা সম্ভব।। দুই টাকার রসগোল্লার বরাত এলে তৈরি হয়। অল্প দামের রসগোল্লাতে লাভের পরিমাণ কম থাকে। তবে দোকানে আর পাঁচটা মিষ্টি বিক্রির সঙ্গে অসুবিধা হয় না।
রাকেশ মাইতি





