advertisement

Weekend Trip: ছুটির দিনে একটু নির্জনতা খুঁজছেন? দু’দিকে সবুজ আর মাঝে সাদা মেঘের মেলা— চিনে নিন এই লুকানো রত্নটি

Last Updated:
Weekend Trip: হাওড়ার কাছে ধূলোরবাঁধ এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের অন্যতম পছন্দের স্থান। সবুজ গাছের সারি, খালের ধারে গ্রামবাংলার দৃশ্য ও মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্ত উপভোগ করতে প্রতিদিনই এখানে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ।
1/5
হারিয়ে যাচ্ছে চেনা গ্রামবাংলার ছবি। অথচ সবুজকে আকড়ে ধরেই যেন বাঁচতে চাইছে নতুন প্রজন্ম। তাই অবসর সময় পেলেই অনেকেই ছুটে যাচ্ছেন প্রকৃতির কোলে। এই বসন্তে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আর এক নাম যেন ধূলোরবাঁধ। ব্যস্ত জনবহুল এলাকার মাঝেই রয়েছে সবুজে ঘেরা এক নিরিবিলি, শান্ত পরিবেশের স্থান, যেখানে ধরা পড়ে বাংলার প্রকৃত রূপ। এখানে সবুজ ক্ষেত আর নীল-সাদা আকাশ যেন একাকার হয়ে যায়।(ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
হারিয়ে যাচ্ছে চেনা গ্রামবাংলার ছবি। অথচ সবুজকে আকড়ে ধরেই যেন বাঁচতে চাইছে নতুন প্রজন্ম। তাই অবসর সময় পেলেই অনেকেই ছুটে যাচ্ছেন প্রকৃতির কোলে। এই বসন্তে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আর এক নাম যেন ধূলোরবাঁধ। ব্যস্ত জনবহুল এলাকার মাঝেই রয়েছে সবুজে ঘেরা এক নিরিবিলি, শান্ত পরিবেশের স্থান, যেখানে ধরা পড়ে বাংলার প্রকৃত রূপ। এখানে সবুজ ক্ষেত আর নীল-সাদা আকাশ যেন একাকার হয়ে যায়।(ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
2/5
প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এই জায়গাটি ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে পছন্দের গন্তব্য। কালো মসৃণ পিচের রাস্তার দু’পাশে সারি সারি সবুজ গাছ মাথা নত করে যেন আগত দর্শনার্থীদের স্বাগত জানায়। পড়ন্ত বিকেলে এখানে বহু মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই এখানে এসে কিছুটা সময় কাটিয়ে খুঁজে পান মানসিক শান্তি ও স্বস্তি।
প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এই জায়গাটি ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে পছন্দের গন্তব্য। কালো মসৃণ পিচের রাস্তার দু’পাশে সারি সারি সবুজ গাছ মাথা নত করে যেন আগত দর্শনার্থীদের স্বাগত জানায়। পড়ন্ত বিকেলে এখানে বহু মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই এখানে এসে কিছুটা সময় কাটিয়ে খুঁজে পান মানসিক শান্তি ও স্বস্তি।
advertisement
3/5
রাস্তার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি সরু খাল। খাল পার হলেই চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ চাষের জমি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের মাঠে কাজ করার দৃশ্য এখানে খুবই স্বাভাবিক। কখনও দেখা যায় জমিতে নিশ্চিন্তে ঘাস খাচ্ছে গরুর দল। আর সূর্যাস্তের সময় আকাশের রঙ বদলের সেই দৃশ্য এই এলাকার আকর্ষণকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
রাস্তার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি সরু খাল। খাল পার হলেই চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ চাষের জমি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের মাঠে কাজ করার দৃশ্য এখানে খুবই স্বাভাবিক। কখনও দেখা যায় জমিতে নিশ্চিন্তে ঘাস খাচ্ছে গরুর দল। আর সূর্যাস্তের সময় আকাশের রঙ বদলের সেই দৃশ্য এই এলাকার আকর্ষণকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
advertisement
4/5
গরমের দিনে তীব্র রোদ থেকে বাঁচতে রাস্তার ধারে গাছের ছায়ায় অনেকেই কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন। ফলে এই স্থানটি অনেকের কাছেই হয়ে উঠেছে একটি স্বস্তির বিরতি নেওয়ার জায়গা। এই এলাকার একদিকে রয়েছে ধুলোগোড়–ফটিকগাছি রোড এবং অন্যদিকে রানিহাটি–আমতা রোড, যার ফলে যোগাযোগও বেশ সুবিধাজনক।
গরমের দিনে তীব্র রোদ থেকে বাঁচতে রাস্তার ধারে গাছের ছায়ায় অনেকেই কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন। ফলে এই স্থানটি অনেকের কাছেই হয়ে উঠেছে একটি স্বস্তির বিরতি নেওয়ার জায়গা। এই এলাকার একদিকে রয়েছে ধুলোগোড়–ফটিকগাছি রোড এবং অন্যদিকে রানিহাটি–আমতা রোড, যার ফলে যোগাযোগও বেশ সুবিধাজনক।
advertisement
5/5
শীতের শেষে এবং বসন্তের সময় আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এবং তাজা বাতাসে কিছুটা সময় কাটাতে আসেন। অনেকেই বাড়ি থেকে মুখরোচক খাবার নিয়ে এসে বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে প্রকৃতির মাঝে সময় কাটান। এখানকার শান্ত পরিবেশ, সবুজ প্রকৃতি এবং স্থানীয় শান্তিপ্রিয় মানুষের আন্তরিকতা এই জায়গাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। নিরাপত্তার দিক থেকেও এলাকাটি যথেষ্ট ভরসাযোগ্য বলেই মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।(ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
শীতের শেষে এবং বসন্তের সময় আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এবং তাজা বাতাসে কিছুটা সময় কাটাতে আসেন। অনেকেই বাড়ি থেকে মুখরোচক খাবার নিয়ে এসে বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে প্রকৃতির মাঝে সময় কাটান। এখানকার শান্ত পরিবেশ, সবুজ প্রকৃতি এবং স্থানীয় শান্তিপ্রিয় মানুষের আন্তরিকতা এই জায়গাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। নিরাপত্তার দিক থেকেও এলাকাটি যথেষ্ট ভরসাযোগ্য বলেই মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।(ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
advertisement
advertisement