আসলে এই ধরণের কাছিম সেভাবে দেখা যায় না। কাছিমের পিঠের উপরে আঁকাবাঁকা নকশা। অনেকটা ময়ূরের পালকের মতো দেখতে। কারও নজর পড়ার আগেই কাছিমটি তুলে বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। বিশাল আকৃতির কাছিমটি ওজনে প্রায় ন’কেজি।
কাছিমটি বাড়িতে নিরাপদ স্থানে রাখার পর। অশোক বাবু খবর দেন, স্থানীয় ক্লাবের সদস্যদের। খবর পেয়ে সুমন সামন্ত সহ অন্যান্য ক্লাব সদস্য মিলে পরিবেশ কর্মী চিত্রক প্রামাণিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় চিত্রক প্রামানিক, সুমন্ত দাস, ইমন ধাড়া ও রঘুনাথ মান্না।
advertisement
জানা যায়, এটি একটি বিলুপ্তপ্রায় কাছিম। এটি একটি পূর্নবয়স্ক ময়ূরী কাছিম। একে ধূম কাছিম বা পিকক সফটশেল টার্টেলও বলা হয়।
গ্রামের দিকে এই বড়ো কাছিমকে বারকোল বা কাঠা বলে। কাছিমটি উদ্ধার করে স্বাভাবিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।কাছিমটি নিরাপদ স্থানে ছাড়ার আগে গ্রামের মানুষকে কাছিমের গুরুত্ব বোঝানো হয় ও সচেতন করা হয়। এখনও কিছু গ্রামে কাছিম মেরে খাওয়ার প্রবনতা আছে। সেই দিক থেকে এই সমস্ত প্রাণীকে সুরক্ষিত রাখতে সতর্কবার্তা। এর পরে একটি নিরাপদ জলাশয়ে কাছিমদের স্বাভাবিক আবাসস্থলে বৃহৎ আকার ন’কেজি ওজনের পিকক সফটশেল টার্টেল টিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
চিত্রক প্রামাণিক এ বিষয়ে জানান, ভারতীয় বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনে এই ময়ূরী কাছিম সর্বোচ্চ সংরক্ষণের আওতায় সিডিউল ওয়ান অন্তর্ভুক্ত এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনসারভেশন অফ নেচার এর রেড বুক লিস্টে এনডেন্জার্ড তালিকা ভুক্ত এই পিকক সফটশেল টার্টেল।
আরও জানা যায় এই ময়ূরী কাছিম ছাড়া আরও পাঁচটি পূর্নবয়স্ক তিলা কাছিম বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েক দিন ধরে উদ্ধার করা হয়েছিল। সবকটি কাছিমকে তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
Rakesh Maity






