হুগলির গুড়াপ পঞ্চায়েতের এক হতদরিদ্র সাধক হলেন কলেজ ইস্কু। বীরপুরের নিজের বাড়িতে ছোট থেকেই তারা মায়ের সাধনা করতেন তিনি। কাজবাজ ও সংসার চালানোর জন্য মাঠে চাষের কাজ করতেন। চাষের কাজের পর অবসর সময় তার কাটতো মায়ের আরাধনায়। তার অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল তারা মায়ের জন্য একটি মন্দির বানাবেন। কিন্তু যেখানে দারিদ্রতা দুবেলা অন্য যোগান দিতে হিমশিম খায় সেখানে আকাশ ছোঁয়া মন্দির বানানো শুধুমাত্র স্বপ্নই ছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করলেন তিনি নিজেই। লটারি টিকিট কেটে প্রথম পুরস্কার স্বরূপ কোটি টাকা পান তিনি। সেই টাকা দিয়ে তৈরি হচ্ছে মায়ের মন্দির।
advertisement
আরও পড়ুন South 24 Parganas News : মেয়েকে খুন করেছে খোদ বাবা! নরেন্দ্রপুরে চাঞ্চল্য
স্থানীয় সূত্রে খবর, সাধক নিজের বাড়িতে তারা মায়ের পূজা করেন। পুজোর বিশেষ পার্বণে স্থানীয় মানুষদের নিমন্ত্রণ থাকত সাধকের বাড়িতে। স্থানীয় মানুষ জানান, তারা দেখেছেন কীভাবে প্রতিদিন চাষবাসের কাজ করেও তারা মায়ের পূজার পার্বনগুলি নিষ্ঠা ভাবে পালন করতেন তিনি। তিনি তার অল্প সামর্থের মধ্যেই যতটা সম্ভব করে পাড়া-প্রতিবেশী স্থানীয় মানুষদের ভোগ ও বিতরণ করতেন। স্থানীয়রা সাধকের মুখেই জানতে পারেন লটারিতে এক কোটি টাকা পেয়েছেন তিনি। তারপরের দিন থেকেই সাধকের বাড়িতে শুরু হয় মন্দির তৈরির কাজ। স্থানীয় মানুষরা আরও জানান, তারা খুবই খুশি এই মন্দির তৈরি হচ্ছে বলে। মন্দির হলে স্থানীয় মানুষরাও পূজা-পার্বণে মন্দিরে আসতে পারবেন।
আরও পড়ুন Durga Puja 2022: ভুবন বাদ্যকরের কাঁচা বাদাম এবারু দুর্গাপুজোর থিমে! চমক মালদহের মণ্ডপে
সাধক কলেজ ইস্কু জানান, লটারি টিকিট তিনি কেটেছিলেন মাসখানেক আগে। তারপরে তিনি জানতে পারেন তিনি প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন। মায়ের নাম করেই লটারির টিকিট কেটেছিলেন তিনি। তাই পুরস্কারের টাকা দিয়ে তিনি মায়ের মন্দির তৈরি করবেন। মন্দির তৈরির কাজ এখন চলছে জোরকদমে। মন্দিরের পাশে দূর দূরান্ত থেকে আগত পুন্যার্থীদের জন্য একটি থাকার আশ্রমও তৈরি হচ্ছে।
রাহী হালদার





