মেমারীর বাসিন্দা দীপঙ্কর প্রামানিক ওরফে অরিন্দম, পেশায় অভিনেতা। ছোট-বড় প্রায় ২০-৩০ টি সিরিয়ালে ও বিভিন্ন সিনেমায় কাজ করেছেন। টেলিপাড়ায় অরিন্দম নামে পরিচিত সকলের কাছে। বাংলা সিরিয়াল সুবর্নলতা তার পরিচিতি বাড়িয়ে তোলে অনেক খানি। অভিনেত্রী সাবিত্রী দেবী, অনন্যা চ্যাটার্জি, বিশ্বনাথ বসু-সহ আরও নামিদামী অভিনেতা অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি কিন্তু লকডাউন তার জীবনের চরিত্র বদলে দেয়। অভিনেতা থেকে হয়ে উঠেন মাছ ব্যবসায়ী। করোনার সময় গোটা দেশে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরে বন্ধ হয়ে যায় সিনেমা,সিরিয়ালের শ্যুটিং। কলকাতা থেকে ফিরে আসে মেমারীর গ্রামের বাড়িতে।পরে মেমারী স্টেশনে বাজারে তাঁর বাবার সবজির দোকানে শুরু করেন মাছ ব্যাবসা।অভিনয় দক্ষতার পাশাপাশি দক্ষতার সঙ্গে ব্যবসা করে টেলিপর্দার অরিন্দম থেকে হয়ে ওঠেন মাছ ব্যবসায়ী দীপঙ্কর।
advertisement
দীপঙ্কর প্রামানিক বলেন, ছোট থেকেই অভিনয় করার ইচ্ছে ছিল, থিয়েটার দিয়ে শুরু করে পরে সিরিয়াল ও সিনেমায় চান্স পাওয়া। অনেক নামী-দামি অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গে অভিনয় করেছি, ভালই চলছিল কিন্তু জীবনের চরিত্র বদলে দিল লক ডাউন। কলকাতা থেকে ফিরে আসতে হল গ্রামের বাড়ি মেমারিতে, বাবার সবজি দোকানে শুরু করি মাছের ব্যবসা। প্রথমে একা শুরু করলেও এখন বেশ কয়েকজন কাজ করে আমার সঙ্গে। অভিনয় জগতের লোকদের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ রয়েছে পরবর্তীকালে আবারও অভিনয় জগতে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।
টেলিপর্দার ঝকঝকে আলো থেকে মেমারি বাজারের মাছের গন্ধ এই যাত্রাপথ হয়ত কঠিন ছিল কিন্তু হার মানেননি অরিন্দম। লকডাউন কেড়ে নিয়েছিল অভিনয়ের সুযোগ, কিন্তু কেড়ে নিতে পারেনি তাঁর বাঁচার জেদ। আজ রুপোলি পর্দার স্ক্রিপ্ট বদলে গেলেও অরিন্দমের জীবনের আসল ‘কামব্যাক’ বোধ হয় এখনও বাকি। মাছের বাজার সামলে তিনি আবারও ফিরবেন লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের চেনা জগতে।





