সম্প্রতি ৫০ বছরের পা দিয়েছেন ঐশ্বর্যা৷ জন্মদিনও পালন করেছেন নিজের৷ তবে এইদিন তাঁর পাশে দেখা গিয়েছিল শুধু তাঁর মা ও মেয়েকে৷ ছিলেন না স্বামী অভিষেক৷ তারপরে মণীশের পার্টিতেও একলাই এসেছিলেন ঐশ্বর্যা৷ বলিউডের অন্যান্য যুগলেরা যেখানে জোড়ায় জোড়ায় হাজিরা দিয়েছিলেন৷ সেই থেকেই ফের জোরালও হতে শুরু করে গুঞ্জন, তাহলে কি অভিষেক-ঐশ্বর্যার মধ্যে দূরত্ব এসেছে৷
advertisement
আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতন থেকে বিদায় নিলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, ‘আনন্দে’ মিষ্টিমুখ বিশ্বভারতীর সামনে
মণীশ মলহোত্রার পার্টির ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লাল বা গাঢ় গোলাপি, অর্থাৎ রানি পোশাক পরা কোনও মহিলা সলমনকে জড়িয়ে ধরে বিদায় জানাচ্ছেন৷ সেই মহিলার পোশাকের রঙই শুধু নয়, তাঁর চুল, তাঁর উচ্চতা এমনকি চেহারাও পিছন থেকে ঐশ্বর্যারই মতো৷ তাহলে কি পুরনো দ্বিধা দ্বন্দ্ব ভুলে ফের প্রেমিকের কাঁধে মাথা রাখলেন ঐশ্বর্য? ভিডিও ভাইরাল হতেই তুমুল আলোচনা৷
তবে ভক্তরা যা-ই ভাবুন না কেন, বিষয়টা একেবারেই তেমন ছিল না! কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য ভুল ভাঙে তাঁদের। কারণ সলমন লাল পোশাক পরা যে মহিলাকে জড়িয়ে ধরেছেন, তিনি বচ্চন-বধূ নন। বরং ওই মহিলা আদতে সুরজ পাঞ্চোলির বোন সানা পাঞ্চোলি।
২০০০ সালে সলমন-ঐশ্বর্যের সম্পর্কে চিড় ধরে। আর তাঁদের বিচ্ছেদের অধ্যায়টা বেশ তিক্ত হয়ে ছিল। তার পরে অবশ্য বিচ্ছেদের যন্ত্রণা ভুলে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন ঐশ্বর্যা। তাঁদের জীবনে রয়েছে কন্যাসন্তান আরাধ্যাও।
আরও পড়ুন: শাড়ি পরে দৌড়ে এসে সোজা ‘কিক’! কমিটির বৈঠকের আগে মহুয়া মৈত্রের ‘ভিডিও-বার্তা’
মণীশ মালহোত্রার দীপাবলির পার্টিতেই প্রথম নয়, এর আগেও সলমন-ঐশ্বর্যকে এক ছাদের তলায় কোনও কোনও পার্টি কিংবা অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে। তবে দু’জনে বরাবরই একে অপরের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। এদিকে আবার সলমন-ঐশ্বর্য একে অপরকে এড়িয়ে চললেও অভিষেকের সঙ্গে সলমনের কিন্তু বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। বিভিন্ন পার্টিতে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে দুই অভিনেতাকেই।
প্রসঙ্গত দীপাবলিতেই মুক্তি পেতে চলেছে সলমন খানের ‘টাইগার থ্রি’। সেই সঙ্গে ‘বিগ বস ১৭’ উপস্থাপনার কাজেও ব্যস্ত তিনি। আবার ঐশ্বর্যকে শেষ বার দেখা গিয়েছিল মণি রত্নমের ‘পোন্নিয়িন সেলভন ২’-এ। তারপর থেকে অবশ্য কোনও ছবির কথা ঘোষণা করেননি অভিনেত্রী।
