সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ্য করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত কোনও বিদেশি শক্তির নির্দেশে চলে না। নিজের পোস্টে কমল হাসান লেখেন, ‘প্রিয় প্রেসিডেন্ট মহোদয়, আমরা, ভারতের জনগণ, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম জাতির মানুষ। আমরা আর বিদেশিদের থেকে আদেশ গ্রহণ করি না। দয়া করে আপনি নিজের কাজ নিয়ে মাথা ঘামান। সার্বভৌম দেশগুলির মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাই স্থায়ী বিশ্ব শান্তির একমাত্র ভিত্তি। আমরা আপনার দেশ এবং এর জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।’
advertisement
প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধের আবহে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রেখেছে আইআরজিসি। তাই হরমুজ প্রণালীতে শ’য়ে শ’য়ে ট্যাঙ্কার আটকে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম রকেট গতিতে উর্ধ্বমুখী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে ভারতকে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার ‘ছাড়’ দেয় আমেরিকা। ভারতকে রাশিয়ার তেল কিনতে বলে আমেরিকা ইতিমধ্যেই একটি ‘নির্দেশিকা’ জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যেই যে রাশিয়ান তেল সাগরে রয়েছে, তা কিনতে পারে ভারতীয় শোধনাগারগুলি।
আরও পড়ুন: ফের বাংলাদেশে নিশানায় সংখ্যালঘুরা, কুমিল্লায় মন্দিরে বিস্ফোরণ! পুরোহিত-সহ আহত ৪
কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান
আমেরিকার এই ‘অনুমতি’ দেওয়ার দাবিকে কার্যত নস্যাৎ করেছে ভারত সরকার। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:
• ভারত বর্তমানে ২৭টির বদলে ৪০টি দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে।
• জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে ভারত সেই দেশ থেকেই তেল কিনবে যেখানে প্রতিযোগিতামূলক এবং সাশ্রয়ী দাম পাওয়া যাবে।
• সরকারি আধিকারিকদের মতে, রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারত কখনোই কোনো দেশের অনুমতির উপর নির্ভর করেনি।
