এই নিয়ে নিজের ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট করতে থাকেন রানা সরকার৷ এমনকী তিনি অশান্তির ভিডিও পোস্ট করেন তাঁর ফেসবুক পেজে৷ তিনি লেখেন, এরা Light Caretaker, এদের সঙ্গে না আছে আমাদের কোন সম্পর্ক, না আছে কোনো dispute. এদের সাহস কত আমাদের শ্যুটিং লোকেশনে এসে আমাদের কর্মীকে মারধর করেছে।
advertisement
আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। এরাও ফেডারেশন সদস্য, এদের শাস্তি চাই। শুটিং-এ এসে অশান্তি তৈরী করার পেছনে কার হাত আছে সেটাও বুঝতে পারছি, কিন্তু ফেডারেশনের দায়িত্ব এই সব গুন্ডাগিরি বন্ধ করা।
এরপর আবার তিনি স্পষ্ট লেখেন যে এই ধরনের ঘটনার পিছনে অন্য কারও হাত থাকতে পারে৷ কারও মদতে তাঁর ছবির শ্যুটিং সেটে এমন অশান্তি হতে পারে বলেও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন৷ তিনি লেখেন, যেকোনো শুটিং নিয়ে গণ্ডগোল লাগানোর পেছনে মাথা গুলো কারা তাদের চিহ্নিত করা খুব জরুরি। এক অদ্ভুত ওয়ার্ক কালচার শুরু হয়েছে ফিল্ম ইন্ডাস্টিতে, এখন গুন্ডাগিরি করতেও এদের আর ভয় লাগে না । এরা নিজেদের কী ভাবে ? আজ যদি আমি শুটিং বন্ধ করে দিই কজন লোকের কাজ যাবে ওরা বোঝেনা ?
ফেডারেশন সভাপতি এবার কি ব্যবস্থা নেবেন ? নাকি আমি শুটিং বন্ধ করে দেবো ?
এই নিয়ে ফেডারেশন অব সিনে টেকনিশিয়ান অ্যান্ড ওয়ার্কার অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার কাছে তিনি এই প্রশ্নগুলো রাখেন৷ একই সঙ্গে ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের থেকেও সাহায্য চান৷ তারপরই আসরে নামেন ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস। তিনি সাফ জানিয়েছেন, এই ঘটনা অনভিপ্রেত। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বড় পর্দায় অভিনেত্রী প্রয়াত মহুয়া রায়চৌধুরীর বায়োপিক তৈরি করছেন প্রযোজক রানা সরকার। পরিচালনায় সোহিনী ভৌমিক। ছবির গবেষণায় ইন্ডাস্ট্রির পরিচিত মুখ তাজু দা ওরফে দেবপ্রতীম দাশগুপ্ত এবং চিত্রনাট্যে সোহিনী স্বয়ং।
