অনিন্দিতা আরও বলেন, বিয়ে, ব্ল্যাকমেইল ও হৃতিকার বয়স সংক্রান্ত অভিযোগের প্রমাণ দিক অভিযুক্তরা। তাঁর অভিযোগ, মেয়ের কাছে পাঠানো একটি বার্তায় হৃতিকা আত্মহত্যার হুমকিও দেন। কারণ ২৫ বছর পরেও পুলিশের কাছে নিজের বৈবাহিক সম্পর্কের কথা বলতে হচ্ছে বলে ৷
আরও পড়ুন– নিজের অহঙ্কারের শিকার ! একটি ভুল সিদ্ধান্ত কোডাকের কোটি কোটি টাকার সাম্রাজ্য গ্রাস করে
advertisement
বিধায়ক তথা অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বিয়ের পর থেকে তরজা তুঙ্গে। দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা গিরি মুখ খুলতেই থানায় অভিযোগ জানাতে গেলেন তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। থানায় অভিযোগ জানিয়ে বেরিয়ে অনিন্দিতা বলেন, “আমাদের ডিভোর্স হয়ে যাক, তার পর নাচতে নাচতে বিয়ে করুক। সে হিরণ চট্টোপাধ্যায় ওকে বিয়ে করে কি না আমরা দেখব।”
ঋতিকা অবশ্য স্পষ্ট করে দিলেন, তিনি কোনও ভুল কাজ করেননি। ঋতিকার কথায়, ‘‘সব মিডিয়াকে বিনিত অনুরোধ, এই মুহূর্তে আমি কোনও রকমের ইন্টারভিউ দিতে পারছি না। এখন আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, এবং শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। সম্প্রতি আমার একটা অপারেশন হয়েছে। ডাক্তার আমাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আমি প্রথম বউ (হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়) অনিন্দিতার যে বক্তব্যগুলো শুনেছি, তার কিছু বিষয় স্পষ্ট করা খুবই দরকার বলে মনে করি। বেনারসের মতো পবিত্র জায়গায়, গঙ্গা মায়ের সামনে, পবিত্র বিধিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এটা কোনও লাক্সারি বিয়ে ছিল না। শুধু মনের ভক্তি, বিশ্বাস এবং পবিত্রতা নিয়ে এই বিয়ে হয়েছে। যদি মনে হয় বেআইনি, তা হলে আমার একটাই কথা, ওঁকে আইনি পদক্ষেপ করতে বলুন।’’
এদিকে থানায় অভিযোগ জানিয়ে বেরিয়েই এই প্রসঙ্গে অনিন্দিতার দাবি, “আমি বার্তা দিলাম ওকে, দেখি কত সুখে-শান্তিতে ও সংসার করে। সারা ক্ষণ তো শুনি আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে। বিয়ের আগে যে মেয়ে ১৫ বার আত্মহত্যা করতে যায় সে যে কত সুখে জীবনযাপন করবে আপনারাই বলুন।” এ দিন মেয়ে নিয়াসাকে নিয়ে থানায় গিয়েছিলেন অনিন্দিতা।
