বুধবার সকালে ফেসবুক লাইভ করেন সঙ্গীতশিল্পী তথা ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দী। সেখানেই তিনি ঘটনার দিনের বিবরণ দেন। ‘‘আমি যেটা করেছি, সেটা উচিত ছিল না। একেবারেই ঠিক ছিল না। আমার মাথা কাজ করছিল না। প্রচণ্ড আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়েছিলাম। এক মুহূর্তের জন্য নিজেকে ভালবাসতে ভুলে গিয়েছিলাম। আমি যেটা করেছি সেটা কোনও সমস্যার সমাধান নয়। খুব মানসিক চাপে ছিলাম। অন্য কিছু ভাবার জায়গায় ছিলাম না। জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করে ফেলেছিলাম। আমি যেটা করেছি, সেটাকে একেবারেই প্রচার করতে চাই না। সবাইকে বলতে চাই, আমি খুব বড় ভুল করেছিলাম। আমি খুবই অনুতপ্ত। হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে একটা কথাই ভেবেছি যে সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হয়। ”
advertisement
তিনি আরও বলেন, “প্রত্যেকে প্রশ্ন করছেন কেন সায়ককে আমি আগে মেসেজ করলাম। আমার সঙ্গে মা ছিল, চাইলে মাকেই বলতে পারতাম। কিন্তু আমার ওই পরিস্থিতিতে বলতে চাইনি। আমি জানতাম সায়ক আমার মতোই রাত ৩টে পর্যন্ত জাগে। সেই কারণেই ওকে মেসেজ করি।”
এতদিন ধরে আরও একটা প্রশ্নও সবার মনে রয়েছে ৷ যে কী করে ৭৮টা ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি বেঁচে গেলেন? দেবলীনা স্পষ্ট বললেন, ‘‘আমরা যে ঘুমের ওষুধের নম্বরটা বলেছি, সেটা ডাক্তাররা নিজেরা পরীক্ষা করে দেখেছেন। প্রেসক্রিপশনেও লিখেছেন। তাই আমরা কেউ নাটক করিনি। সেদিন রাতে এতটাই অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলাম যে আমাকে গাড়ি থেকে নামানো যাচ্ছিল না। হাসপাতালের চিকিৎসকদের ধন্যবাদ যে, তৎপরতার সঙ্গে আমাকে তাঁরা বাঁচিয়েছেন।’’
