২০০৮। কমার্শিয়াল ঘরানাকে বদলে দিতে এসেছিল ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’। সবার মনের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল কৃষ্ণ-পল্লবী। এক গরিব মেকানিক, একটা মফঃস্বল আর কয়েকটা সদ্য বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছনো দু-টো ছেলেমেয়ের সঙ্গে এক হয়ে গিয়েছিল আরও অনেকগুলো জীবন। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ছবির সেই গ্যারাজের দৃশ্য গুলো বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছে। একজন অনামী পরিচালক, দুজন অনামী নায়ক-নায়িকা, তবুও ব্লকব্লাস্টার। ঠিক কী ছিল ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এ? প্রশ্নের একটাই উত্তর বাঙালির আবেগ ছিল। দুটো ছেলেমেয়ের প্রেম ছিল। আর ছিল সাবলীল অভিনয়। মেকানিক রাহুলের সঙ্গে মিলেমিশে গিয়েছিল প্রতিটি মফস্বলে থাকা ছেলের জীবন, যাঁদের ভালবাসার ইচ্ছে থাকলেও উপায় নেই। সেখান থেকেই রাহুলের উত্থান, তারপর একের পর এক সিনেমা, সিরিয়াল, ওয়েব সিরিজ।
advertisement
আরও পড়ুনঃ অভিনেতা রাহুলের মৃত্যুতে জিজ্ঞাসাবাদ ১০-১২ জনকে, প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার ইঙ্গিত পুলিশের
রাহুলের মৃত্যুর পর শুটিংয়ে অভিনেতাদের সুরক্ষা নিয়ে আজ টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে আর্টিস্ট ফোরামের ইন্টারনাল মিটিং হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গোড়াতেই ভেস্তে গেল আর্টিস্ট ফোরামের এই মিটিং। টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে উপস্থিত হয়েছিলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, গৌরব চট্টোপাধ্যায়, বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায় , সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও রানা মিত্র সহ কয়েকজন। কিন্তু আর্টিস্ট ফোরামের সকল কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় এই মিটিং সম্পন্ন হতে পারেনি। আপাতত স্থগিত এই মিটিং। প্রশ্ন উঠছে শিল্পীরাই যদি নিজেদের সুরক্ষা নিয়ে তৎপর না হয় তাহলে অন্যদের দোষারোপ করা কতটা যুক্তিযুক্ত?
