জিয়াগঞ্জ শহরেই বেসরকারি পলিটেকনিক কলেজের পাশেই অবস্থিত তাঁর পরিবারের পরিচালিত করা রেস্টুরেন্ট হেঁসেল। বুধবার দুপুর হতেই পর্যটক থেকে ছাত্র ছাত্রীরা আসতে থাকেন এই হেঁসেলে। হেঁসেলের কর্মচারী থেকে ছাত্র ছাত্রীরা সকলেই জানিয়েছেন, তিনি আবার ফিরে আসুন প্লে ব্যাকে। দৈনন্দিন দুপুরে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ৪০টাকায় থাকে থালি। যে খাবার খেতে ভিড় জমান ছাত্র ছাত্রীরা। খাওয়া শেষ করেই তারা জানিয়েছেন, আমরা আবার চাই আমাদের প্রীয় সমুদা গানের প্লে ব্যাকের মধ্যে ফিরে আসুন।
advertisement
দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতেও যাঁর গান শোনার জন্য আপামর শ্রোতা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন তাঁরা ভাবতেও পারছিলেন না ‘কেসরিয়া’, ‘বিনতে দিল’, ‘হাওয়ায়েঁ’, ‘আজ কি রাত’ -এর মতো মন ছুঁয়ে যাওয়া গানের মতো নতুন কোনও সিনেমার গান তাঁরা তাঁদের প্রিয় গায়কের কন্ঠে আর শুনতে পাবেন না। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে গায়ক স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, নতুন করে ‘প্লে ব্যাক’ গানের আর কোনও অ্যাসাইনমেন্ট তিনি আর নেবেন না। নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় অরিজিৎ লিখেছেন, “ইট ওয়াজ আ ওয়ান্ডারফুল জার্নি।”
ভক্তদের ভালবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, এবার অন্য গায়কদের সুযোগ দিতে চান, নিজের মতো করে নতুন সুর সৃষ্টি করতে চান, ক্লাসিক্যাল মিউজিকের কাছে ফিরতে চান । লাইভ শো, কনসার্ট, ইন্ডিপেন্ডেন্ট গান চালিয়ে যাবেন, কিন্তু সিনেমার প্লেব্যাক আর নয়।
আরও পড়ুনArijit Singh News: প্লে ব্যাক ছাড়ছেন অরিজিৎ সিং! মন খারাপ জিয়াগঞ্জবাসীর, কী চাইছেন এলাকাবাসী জানেন!
কিন্তু মুর্শিদাবাদের ছোট্ট শহর জিয়াগঞ্জের ছেলে অরিজিৎ খুশি তাঁর এই স্বল্প সময়ের প্লেব্য্যাক কেরিয়ার নিয়ে। তবে যে শহর প্রথম তাঁর গান শুনেছিল, প্রথম প্রশংসা করেছিল সেই শহরবাসীর মন কিন্তু আজ সবচেয়ে খারাপ। কারণ তাঁর হঠাৎ ‘অবসরের’ সিদ্ধান্তকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না জেলাবাসী। জিয়াগঞ্জের রাস্তায় আজ যেন এক অদ্ভুত শূন্যতা।
কৌশিক অধিকারী





