advertisement

Guess the celebrity: বাঙালি মায়ের মেয়ে বলিউড নায়িকা, অতিরিক্ত রূপসী... ফর্সা রঙ হওয়াই কাল! বলুন তো ইনি কে?

Last Updated:
মিষ্টি মুখের এই নায়িকা। ২০০১ সালে মাধবনের বিপরীতে 'রেহনা তেরে দিল মে' ছবি দিয়ে বলিউডে হাতেখড়ি হয়েছিল তাঁর। ত্রিকোণ প্রেমের সেই ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
1/8
ছবির এই ছোট্ট মেয়েটি এক সময়ের বলিউডের নায়িকা। শান্ত চোখ, স্মিত হাসি নিয়ে যে তাকিয়ে রয়েছে ক্যামেরার দিকে, সে আসলে পরবর্তীতে অসংখ্য হৃদয়ে হিল্লোল তুলেছিল। কে তিনি বুঝতে পারছেন? কয়েকটি সূত্র ধরিয়ে দেওয়া যাক।
ছবির এই ছোট্ট মেয়েটি এক সময়ের বলিউডের নায়িকা। শান্ত চোখ, স্মিত হাসি নিয়ে যে তাকিয়ে রয়েছে ক্যামেরার দিকে, সে আসলে পরবর্তীতে অসংখ্য হৃদয়ে হিল্লোল তুলেছিল। কে তিনি বুঝতে পারছেন? কয়েকটি সূত্র ধরিয়ে দেওয়া যাক।
advertisement
2/8
এক সময় বড় পর্দায় নারীদের ক্ষেত্রে অভিনয় দক্ষতার চেয়েও বেশি প্রাধান্য দেওয়া হত তাঁর সৌন্দর্যকে। ধরেই নেওয়া হত যে, বলিউডে নায়িকা হবে সুন্দরী, তাঁকে দেখে ফেরানো যাবে না চোখ। কিন্তু জানেন কি, ছবিতে থাকা ছোট্ট মেয়েটির ক্ষেত্রে সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তাঁর গায়ের রং, সৌন্দর্য?
এক সময় বড় পর্দায় নারীদের ক্ষেত্রে অভিনয় দক্ষতার চেয়েও বেশি প্রাধান্য দেওয়া হত তাঁর সৌন্দর্যকে। ধরেই নেওয়া হত যে, বলিউডে নায়িকা হবে সুন্দরী, তাঁকে দেখে ফেরানো যাবে না চোখ। কিন্তু জানেন কি, ছবিতে থাকা ছোট্ট মেয়েটির ক্ষেত্রে সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তাঁর গায়ের রং, সৌন্দর্য?
advertisement
3/8
২০০১ সালে 'রেহনা তেরে দিল মে' ছবি দিয়ে বলিউডে হাতেখড়ি হয়েছিল তাঁর। ত্রিকোণ প্রেমের সেই ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
২০০১ সালে 'রেহনা তেরে দিল মে' ছবি দিয়ে বলিউডে হাতেখড়ি হয়েছিল তাঁর। ত্রিকোণ প্রেমের সেই ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
advertisement
4/8
এতক্ষণে নিশ্চয়ই আর বুঝতে বাকি নেই কার কথা হচ্ছে। যাঁকে নিয়ে কথা হচ্ছে, তিনি দিয়া মির্জা। বলিউডের মিষ্টি হাসির মেয়ে।
এতক্ষণে নিশ্চয়ই আর বুঝতে বাকি নেই কার কথা হচ্ছে। যাঁকে নিয়ে কথা হচ্ছে, তিনি দিয়া মির্জা। বলিউডের মিষ্টি হাসির মেয়ে।
advertisement
5/8
১৯৮১ সালে হায়দ্রাবাদে জন্মান দিয়া। বাবা ফ্র্যাঙ্ক হেন্ড্রিক ছিলেন জার্মান। নায়িকার মা দীপা দেবী বাঙালি। তাঁর বয়স যখন সাড়ে চার বছর, তখনই তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। তাই একসঙ্গে মা-বাবার সান্নিধ্য খুব বেশিদিন পাননি নায়িকা।
১৯৮১ সালে হায়দ্রাবাদে জন্মান দিয়া। বাবা ফ্র্যাঙ্ক হেন্ড্রিক ছিলেন জার্মান। নায়িকার মা দীপা দেবী বাঙালি। তাঁর বয়স যখন সাড়ে চার বছর, তখনই তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। তাই একসঙ্গে মা-বাবার সান্নিধ্য খুব বেশিদিন পাননি নায়িকা।
advertisement
6/8
তার পর দিয়ার মা দীপা দেবী বিয়ে করেন আহমেদ মির্জাকে। সৎ বাবার সঙ্গে মানিয়ে নিতে অসুবিধা হয়নি নায়িকার। আগাগোড়াই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল তাঁর সঙ্গে। অভিনেত্রীর জীবনে আহমেদের অবদান অশেষ। তাই তাঁরই পদবী এখনও ব্যবহার করেন দিয়া।
তার পর দিয়ার মা দীপা দেবী বিয়ে করেন আহমেদ মির্জাকে। সৎ বাবার সঙ্গে মানিয়ে নিতে অসুবিধা হয়নি নায়িকার। আগাগোড়াই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল তাঁর সঙ্গে। অভিনেত্রীর জীবনে আহমেদের অবদান অশেষ। তাই তাঁরই পদবী এখনও ব্যবহার করেন দিয়া।
advertisement
7/8
বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি এক সময় দিয়া কাজ করতে চেয়েছিলেন বিষয়ভিত্তিক ছবিতেও। কিন্তু পরিচালকরা অভিনেত্রীকে সেই সুযোগ দেননি। তাঁরা মনে করেছিলেন, দিয়ার সৌন্দর্য তাঁদের ছবির ক্ষেত্রে ঠিক মানানসই নয়। অতিরিক্ত 'ফর্সা' হওয়ার কারণেই নাকি একাধিক চরিত্র হাতছাড়া হয় তাঁর।
বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি এক সময় দিয়া কাজ করতে চেয়েছিলেন বিষয়ভিত্তিক ছবিতেও। কিন্তু পরিচালকরা অভিনেত্রীকে সেই সুযোগ দেননি। তাঁরা মনে করেছিলেন, দিয়ার সৌন্দর্য তাঁদের ছবির ক্ষেত্রে ঠিক মানানসই নয়। অতিরিক্ত 'ফর্সা' হওয়ার কারণেই নাকি একাধিক চরিত্র হাতছাড়া হয় তাঁর।
advertisement
8/8
বক্স অফিসে দিয়ার সফল ছবির সংখ্যা খুব কম। কিন্তু জীবনের প্রত্যেক ধাপে প্রত্যেক চরিত্রেই ভাল নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ তিনি।
বক্স অফিসে দিয়ার সফল ছবির সংখ্যা খুব কম। কিন্তু জীবনের প্রত্যেক ধাপে প্রত্যেক চরিত্রেই ভাল নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ তিনি।
advertisement
advertisement
advertisement