আরও পড়ুন: গভীর রাতে কলকাতায় ভয়ঙ্কর কাণ্ড! পাটুলিতে পর পর শ্যুটআউট, মৃ*ত্যু যুবকের, আহত আরও এক
কখনও কাঁচা রাস্তা, কখনও সরু গ্রামীণ গলি পেরিয়ে তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকায়। পথে পথে মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন, তাঁদের অভাব-অভিযোগ শুনছেন এবং ভোটে সমর্থনের আবেদন জানাচ্ছেন। তাঁর এই সহজ-সরল প্রচার ভঙ্গি ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে এলাকাবাসীর। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, প্রতিভা মাইতি শুধু একজন প্রার্থীই নন, তিনি বর্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি। সেই হিসেবে তাঁর জন্য গাড়ি ও অন্যান্য সুবিধার ব্যবস্থা থাকলেও, তিনি সেগুলি ব্যবহার না করে সাইকেলকেই সঙ্গী করেছেন। তাঁর কথায়, “আমি গ্রামেরই মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই সাইকেলে চড়ে চলাফেরা করেছি। আজও সেই অভ্যাসই আমাকে মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।”
advertisement
আরও পড়ুন: ভোটের কাজে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগের জের! বদলি করা হল পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে
জানা গিয়েছে, শিক্ষকতা জীবনের শুরুতে তিনি একটি নার্সারি স্কুলে পড়াতেন। সেই সময় থেকেই সাইকেল তাঁর নিত্যসঙ্গী। তাই আজও সেই পুরোনো অভ্যাস বজায় রেখেই তিনি প্রচারে নেমেছেন। তাঁর মতে, গাড়ি নিয়ে বড় রাস্তায় ঘোরার চেয়ে সাইকেল নিয়ে সরু গলিতে ঢুকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা অনেক বেশি কার্যকর। স্থানীয় মানুষজনও তাঁর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, এত বড় পদে থেকেও যেভাবে তিনি সাধারণ জীবনযাপন বজায় রেখেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
ভোটের আগে এমন সরল ও আন্তরিক প্রচার যে মানুষের মনে আলাদা প্রভাব ফেলছে, তা বলাই বাহুল্য। সব মিলিয়ে, বয়সকে উপেক্ষা করে সাইকেলকে সঙ্গী করে প্রতিভা মাইতির এই প্রচার যেন এক অন্যরকম বার্তা দিচ্ছে—রাজনীতির ময়দানে মানুষের কাছে পৌঁছতে বড় আয়োজন নয়, দরকার আন্তরিকতা ও সংযোগ।





