চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে,
আইনি নিয়ম ভেঙে ERO-দের ক্ষমতা সরিয়ে DEO ও মাইক্রো-অবজারভারদের হাতে দেওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ ও সিদ্ধান্ত অনেক ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ ও মৌখিকভাবে দেওয়া হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
সরকারি বিভিন্ন নথি যেমন গ্রাম পঞ্চায়েতের সার্টিফিকেট, আবাসন প্রকল্পের কাগজপত্রসহ একাধিক বৈধ ডকুমেন্ট গ্রহণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
advertisement
ECINET পোর্টালে প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও অন্য জায়গা থেকে লগইন ব্যবহার করে ভোটার তথ্য প্রভাবিত করার অভিযোগও উঠেছে।
চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, প্রায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজারের বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এবং ৬০ লক্ষের বেশি মামলা এখনও বিচারাধীন রয়েছে।
Form-7 আপত্তির সংখ্যা ও বাস্তবে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যার মধ্যে বড় অসঙ্গতি রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
কয়েকজন জনপ্রতিনিধি, মন্ত্রী ও সরকারি আধিকারিকের নামও ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া বা যাচাইয়ের তালিকায় থাকার দাবি করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কাছে পুরো বিষয়টির স্বচ্ছ তদন্ত, বাদ পড়া ভোটারদের বিষয়ে ব্যাখ্যা এবং বৈধ নথি পুনরায় গ্রহণের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল।
একই সঙ্গে বাকি যাচাই প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
এর আগেও ভোটার তালিকা প্রকাশের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ যথাযথ ভাবে কার্যকর করার দাবিতে নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে একটি বিস্তারিত চিঠি পাঠিয়ে একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছিল।
