সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা বিনীত গোয়েলকেও ধমক দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার৷ অন্যান্য সব রাজ্যেই নারকোটিক্স অ্যাডভাইজরি বোর্ড থাকলেও বাংলায় কেন এই বোর্ড নেই, এ দিন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে সেই প্রশ্ন তোলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার৷ সূত্রের খবর, জ্ঞানেশ কুমারের এই প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা বিনীত গোয়েল৷ তখনই তাঁকে থামিয়ে দিয়ে জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ‘আপনি বসুন, কেন রাজ্যে নারকোটিক্স কন্ট্রোল বোর্ড নেই সব জানি৷’
advertisement
এ দিন পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে প্রথম থেকেই কড়া মেজাজে ছিলেন জ্ঞানেশ কুমার৷ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার সহ পদাধিকারীদের সতর্ক করে কমিশনের ফুল বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, কমিশনের হাতে শুধু দেড় মাস পুলিশ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণের ভার থাকবে, এটা ভেবে নির্বাচনের কাজে ইচ্ছাকৃত গাফিলতি করেও পার পাওয়া যাবে না৷ অভিযোগ প্রমাণিত হলে এমন পদক্ষেপ করা হবে যে ভোট মিটলেও তাঁর মাশুল দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের৷
একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের কর্তাদের কাছে জ্ঞানেশ কুমার জানতে চান, শুধু এ রাজ্যেই ভোটের সময় কেন এত হিংসার ঘটনা ঘটে? সূত্রের খবর, জ্ঞানেশ কুমার বলেন, অন্য কোন রাজ্যে এত হিংসা দেখা যায় না। ভোটের সময় হিংসার ঘটনা শুধু কেন বাংলায়? সব রাজনৈতিক দল আমাদের কাছে অভিযোগ করেছে। এবার এসব চলবে না।”
রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের কর্তাদের পাশাপাশি এ দিন বেআইনি নগদ উদ্ধারের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা আরবিআই, মদের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের জন্য এক্সাইজ দফতরকেও সতর্ক করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার৷
