অভিযোগ ওঠে, তার বিজয় মিছিল থেকেই বোমা ছোড়া হয়। সেই সময় রাস্তা ছিল চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তামান্না খাতুন। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। মেয়ের মৃত্যুর পর থেকেই বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন মা সাবিনা ইয়াসমিন ও তাঁর পরিবার। বিভিন্ন মহল থেকে সহানুভূতি এবং আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব এলেও, ক্ষতিপূরণের টাকা ফিরিয়ে দিয়ে ন্যায়বিচারের দাবিতেই অনড় থাকেন সন্তান হারা মা সাবিনা। তার এই অবস্থান রাজনীতির অঙ্গনেও আলোড়ন ফেলে।
advertisement
কিনতে হয় না, মাটির নীচেই গ্যাসের খনি! ১৪ মাস ধরে যে ভাবে রান্না করছেন এই পরিবার, জোরহাটে চমক
এবার সেই সাবিনা ইয়াসমিনকেই প্রার্থী করেছে সিপিএম, যা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সেই সময় বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা প্রাক্তন বিধায়ক আলিফা আহমেদকেই আবার প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এর মধ্যেই সিপিআইএমের মধ্যেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে, সূত্রের খবর অনেকেই সাবিনা ইয়াসমিনকে দলের প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে পারেননি। সেই কারণে সিপিএম পার্টি অফিস ভাঙচুরেরও অভিযোগ উঠে এসেছে। সিপিএম দলীয় সূত্র জানা যায়, ভাঙচুর করার কারণে বেশ কয়েকজন কর্মীকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এবং তারপরেই গতকাল অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যেবেলা থেকে প্রথম সাবিনা ইয়াসমিন প্রচারে বের হন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শুধুমাত্র গতবার উপ নির্বাচনের ওই মর্মান্তিক ঘটনাকে সামনে রেখে প্রার্থী নির্বাচন অনেকেরই ঠিক বলে মনে হয়নি। ফলে, সহানুভূতি বনাম রাজনৈতিক শক্তির লড়াইয়ে কালীগঞ্জ কেন্দ্র যে রাজ্য রাজনীতির নজর কাড়বে, তা বলাই বাহুল্য। সব মিলিয়ে, তামান্নার মৃত্যুকে ঘিরে আবেগ, অভিযোগ এবং রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, সবকিছু মিলিয়ে কালীগঞ্জের এই লড়াই এবার বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।






