বাড়ির উঠোনে বসে কারও সঙ্গে চা খেতে খেতে, আবার কোথাও রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েই মানুষের কথা শোনেন তিনি। কথোপকথনের ফাঁকেই উঠে আসে রাজ্য সরকারের নানা প্রকল্পের প্রসঙ্গ—স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা, পানীয় জল কিংবা রাস্তাঘাটের উন্নয়ন। গৌতম দেবের দাবি, এই পরিবর্তনই আগামী দিনের ভরসা, আর সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই মানুষের সমর্থন জরুরি।
এসি চললেও কমবে বিদ্যুতের বিল! এই সহজ টিপস মানলেই মাসে বড় সাশ্রয়, ছোট্ট ‘ট্রিক’ জেনে নিন
advertisement
তবে প্রচার শুধু বক্তব্যে আটকে থাকেনি। বহু জায়গায় স্থানীয় সমস্যার কথাও সামনে আসে—কোথাও জলকষ্ট, কোথাও ভাঙা রাস্তা। প্রতিটি বিষয় মন দিয়ে শোনেন তিনি, নোট নেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার দূরত্ব কমছে বলেই মনে করছেন অনেকে।
এবারের শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের লড়াই যে সহজ নয়, তা স্পষ্ট। একদিকে বিজেপির শংকর ঘোষ, অন্যদিকে বাম সমর্থিত শরদিন্দু চক্রবর্তী—এই ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রতিটি পদক্ষেপই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই প্রচারের ধরনেও দেখা যাচ্ছে ভিন্নতা ও নতুনত্ব।
দিনের শেষে এই প্রচার যেন শুধু ভোট চাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার এক প্রচেষ্টা হয়ে উঠছে। শিলিগুড়ির রাস্তায় রাস্তায় সেই চিত্রই ধরা পড়ছে—যেখানে রাজনীতি আর জনসংযোগ মিলেমিশে তৈরি করছে নির্বাচনের নতুন গল্প।





