ছোটবেলা থেকেই আঁকার প্রতি ভীষণ ঝোক ছিল তার। তার আঁকা একাধিক ছবিতে দেখা গিয়েছে প্রতিবাদের ছোঁয়া! শিক্ষাগত যোগ্যতাও বহু প্রার্থীদের হার মানাবে! কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক হয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে স্নাতকোত্তর হন। এরপর সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সাইন্স কলকাতা থেকে সমাজবিজ্ঞানে এমফিল এবং পিএইচডি করেন। তার গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল বাঙালি “পরিযায়ী শ্রমিকদের উপরে”!
advertisement
আর সেই কারণেই পরিচয় শ্রমিকদের আর্থসামাজিক অবস্থা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে তিনি আলোচনা করেছেন। ইতিমধ্যেই ভোটের প্রচারে বেরিয়ে পড়েছেন তিনি। আজ যেখানে সারাদিন জুড়ে পরিযায়ী শ্রমিকরা একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজনীতির ময়দানে নেমে নিজের গবেষণাকেই কাজে লাগাচ্ছেন তিনি।
তিনি জানান, বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট প্রার্থী হিসেবে লড়াই করা তার কাছে অনেক বড় ব্যাপার। এটি একটি অনেক বড় প্লাটফর্ম। আজ যেখানে গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে শ্রমিক এবং বাঙালির ওপর আক্রমণ চলছে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে তিনি গবেষণা করছেন কিন্তু পুঁথিগত গবেষণা কিংবা শিল্পকলার মধ্যে একটা সীমাবদ্ধতা থাকে এবার ভোটের রাজনীতিতে সেই সীমা পার করে মানুষের কাছে পৌঁছানোই তার মূল লক্ষ্য।






