প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও এ দিনের বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন৷ এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বিপ্লব দেব, সুনীল বনশল, সতীশ ধন্দ, অমতি মালব্যরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন৷
সূত্রের খবর, রাজ্যের ২৯৪টির মধ্যে ১৫০-র বেশি আসনে প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে। বর্তমান বিধায়কদের সিংহভাগই আবার টিকিট পাচ্ছেন বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই অন্তত ১৫০ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেওয়া হতে পারে।
advertisement
জয়ের সম্ভাবনা বিচার করে রাজ্যের বিধানসভা আসনগুলিকে এ,বি এবং সি- এই তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। জয়ের সম্ভাবনা সবথেকে বেশি, সেই আসনগুলিকে রাখা হয়েছে৷ এ ক্যাটেগরিতে৷ এই আসনগুলিতে ষোল আনা খাঁটি বিজেপি নেতা, কর্মী ছাড়া কাউকে টিকিট দেওয়া হবে না। সি ক্যাটেগরি মানে যেখানে জয়ের আশা বিশেষ নেই, তবু লড়াই জারি থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর বাস ভবনের বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রার্থী তালিকায় পুরনো জয়ী প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন। সঙ্গে আদি কর্মীদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগে কখনও বিধানসভা বা লোকসভার ভোটে লড়েননি, এমন কিছু নতুন মুখও টিকিট পাচ্ছেন। তবে তাঁরা সকলেই সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ।
সূত্রের খবর, অগ্নিমিত্রা পাল আসানসোল দক্ষিণ থেকে দিলীপ ঘোষকে খড়গপুর সদর থেকে প্রার্থী করা হচ্ছে। ভবানীপুর কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কাকে প্রার্থী করা যেতে পারে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কাছে বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীন এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তা জানতে চান বূলেও সূত্রের দাবি৷
