সাহিত্য থেকে বিজ্ঞান, ইতিহাস থেকে অঙ্ক—প্রতিটি বিষয়কে সহজ ও সরল ভাষায় ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছে শিক্ষার্থীরা। কাগজ, থার্মোকল, রং ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে নানা শিক্ষামূলক মডেল। যেমন বিজ্ঞানের বিভিন্ন পরীক্ষণ, ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অঙ্কের জ্যামিতিক আকার কিংবা সাহিত্যের কাহিনির দৃশ্য—সবকিছুকেই সৃজনশীলভাবে উপস্থাপন করেছে তারা।
আরও পড়ুন: কবে শেষ হবে এই যন্ত্রণা! কেশিয়াড়ি মোড় রেলগেটে ওভারব্রিজের তৎপরতা বিধায়কের, আশায় সাধারণ মানুষেরা
advertisement
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মূল উদ্দেশ্য ছিল পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে শিক্ষাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলা। শুধু মুখস্থ নির্ভর শিক্ষা নয়, হাতে-কলমে কাজের মাধ্যমে বিষয় বোঝার সুযোগ পেলে ছাত্রছাত্রীরা সহজেই জটিল ধারণা আয়ত্ত করতে পারে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তত্ত্বাবধানে কয়েকদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়ে পড়ুয়ারা নিজেরাই তৈরি করেছে এই মডেলগুলি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীলতা, দলগত কাজের মানসিকতা এবং আত্মবিশ্বাস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। প্রদর্শনীর শেষে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারী পড়ুয়াদের পুরস্কৃতও করা হয়, যা তাদের উৎসাহ আরও বাড়িয়েছে। পড়াশোনার নিয়মিত কাঠামোর বাইরে এমন উদ্যোগে খুশি ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকেরাও। তাদের মতে, সহজ ভাষায় ও দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে শেখার সুযোগ পেলে বিষয়ভীতি অনেকটাই কমে যায়। বড়মোহনপুর ভগবতী দেবী শিক্ষা নিকেতনের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে—শিক্ষা যদি হয় আনন্দের, তবে শেখাও হয় সহজ ও স্থায়ী।





