২৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন আগ্রহীরা। বেলা ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা। এই প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হলে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে মেধাতালিকা অনুযায়ী সরকারি, সরকারপোষিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নার্সিং কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। এএনএম কোর্সটি দু’বছরের এবং জিএনএম কোর্সটি তিন বছরের।
advertisement
যোগ্যতা যাচাই
এএনএম কোর্সে শুধুমাত্র মহিলারাই আবেদন করতে পারবেন। জিএনএম কোর্সে এমন কোনও সীমাবদ্ধতা নেই। বয়সের মাপকাঠি নেই কোনও কোর্সের জন্যই। ২০২৫ পর্যন্ত অন্তত ১০ বছরের রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। বাংলা অথবা নেপালি ভাষা লিখতে, পড়তে এবং বলতে জানতে হবে। প্রার্থীদের অবশ্যই স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে অন্তত ৪০ শতাংশ নম্বর-সহ দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে হবে। কাউন্সেলিং-এ সুযোগ পাওয়া গেলে প্রার্থীরা যে শারীরিক ভাবে সুস্থ, তার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
পরীক্ষার ধরন
দু’টি ভাগে পরীক্ষা হয়– বিভাগ-১ ও বিভাগ-২। দু’টি বিভাগ মিলিয়ে মোট ১০০টি প্রশ্ন থাকে। কিন্তু মোট নম্বর থাকে ১১৫। ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রেকগনিশন) শিটের মাধ্যমে পরীক্ষা হবে। এমসিকিউ-এমসিকিউ ভিত্তিক প্রশ্ন থাকে। প্রতি প্রশ্নে নম্বর থাকে এক ও দুই করে। কিছু ক্ষেত্রে নেগেটিভ মার্কিং-ও রয়েছে।
আরও পড়ুন: ট্রেনের টিকিট বাতিলের নিয়মে বড়সড় বদল, কনফার্ম টিকিট বাতিল করলে এখন…! যাত্রীরা জানুন
কোন কোন বিষয় থেকে প্রশ্ন
জীবনবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, সাধারণ ইংরেজি, গণিত, সাধারণজ্ঞান, লজিক্যাল রিজোনিং বিষয়ের উপর প্রশ্ন করা হয়। ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাতেও প্রশ্ন লেখা থাকে। চারটি করে বিকল্প দেওয়া হয় প্রতি প্রশ্নে।
আবেদনপত্র জমা করবেন কী ভাবে?
আবেদনের জন্য ডব্লিউবিজেইইবি-র ওয়েবসাইটে যেতে হবে। ‘হোমপেজ’ থেকে সংশ্লিষ্ট লিঙ্কে যাওয়া প্রয়োজন। এর পর প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে সাধারণ বিভাগের প্রার্থীরা ৪০০ টাকা এবং সংরক্ষিত বিভাগের প্রার্থীরা ৩০০ টাকা জমা দিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের ওয়েবসাইটে বিগত বছরের প্রশ্ন দেওয়া রয়েছে। পাশাপাশি পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষার ধরনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা প্রস্তুতির স্বার্থে সেগুলি দেখে নিতে পারেন।
