এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সংসদ সভাপতি ঘোষণা করেন, একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার সব দায়িত্ব এবার সামলাবে স্কুলগুলি। ২০০৫-০৬ সালের পর থেকে একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করত উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। মূলত, একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার গুরুত্ব কমে যাওয়ার কারণেই সংসদ তৎকালীন সময়ে প্রশ্নপত্র তৈরি করে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। প্রায় ১৬ বছর বাদে সংসদ ফিরে গেল পুরনো সিদ্ধান্তে।
advertisement
প্রশ্নপত্র থেকে তৈরি করা থেকে শুরু করে উত্তরপত্র মূল্যায়ন পুরোটাই করবেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। যদিও সংসদ কী সিলেবাসের উপরে পরীক্ষা হবে, তা জানিয়ে দেবে স্কুলগুলিকে। পাশাপাশি, ছাত্রছাত্রীদের একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার নম্বর সংসদের ওয়েবসাইটেও আপলোড করতে হবে। অন্যান্য বোর্ড যেহেতু একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকে না, তাই সংসদও এই সিদ্ধান্ত নিল বলে জানান উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি।
এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট আবেদনকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮,৫২,৪৪৪ জন। মোট পরীক্ষা দিয়েছেন ৮,২৪,৮৯১ জন। পাশ করেছেন ৭,৩৭,৮০৭ জন। পাশের হার ৮৯.২৫ শতাংশ। পাশের হারে জেলাভিত্তিক প্রথম হয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুর। ১১ টি জেলায় পাশের হার ৯০ পার্সেন্ট বেশি। এবারের মেধাতালিকায় রয়েছেন ৮৭ জন। প্রথম হয়েছেন শুভ্রাংশু সর্দার। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ বিদ্যালয়ের ছাত্র। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। শতাংশ বিচারে তিনি পেয়েছেন ৯৯.২ শতাংশ।আগামী বছর উচ্চ মাধ্যমিক শেষ হবে ২৯ ফেব্রুয়ারি। দুপুর ১২টা থেকে ৩টে ১৫।
