শান্তিপুর সুত্রাগড় মালঞ্চ উচ্চ বিদ্যালয়ে এই দুই পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে আসলে সুশোভন এবং শ্রীতমারাও তাদের সঙ্গে আসে তাদের রাইটার হয়ে। বর্তমানে তারা দশম শ্রেণীতে পড়াশোনা করছে। আগামী বছর তাদের মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে তারা এ বছরই পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়েছে অন্যদের সাহায্য করতে। পরীক্ষার্থীরা মুখে যে উত্তর বলছে, ঠিক সেইভাবেই তা লিখে দেওয়াই তাদের দায়িত্ব।
advertisement
আরও পড়ুনঃ মঙ্গলবার রাতে রাজকীয় আয়োজন, আমিরের জন্য অরিজিৎয়ের ‘হেঁসেল’ থেকে এল লোভনীয় খাবার, জানুন মেনু
বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় বসবাসকারী প্রতিবন্ধী ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্নত পরিকাঠামো ও সহায়তার অভাব এখনও বড় সমস্যা। ফলে অনেকেই উচ্চশিক্ষার পথে এগোতে পারে না। এই পরিস্থিতিতে সুশোভন ও শ্রীতমার মতো ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণাদায়ক। তাদের অভিভাবকরাও নিয়মিত সন্তানদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন এবং বাড়ি ফিরিয়ে আনছেন। অভিভাবকদের বক্তব্য, ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের মধ্যে সহানুভূতি ও সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
আরও পড়ুনঃ ‘কোথা থেকে এল মোবাইল?’ নিয়ম মানতে বলায় তুলকালাম জামালপুরে! অবর বিদ্যালয় পরিদর্শককে মারধরের অভিযোগ
তারা জানায়, এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে তাদের নিজের মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। প্রথমবার পরীক্ষার পরিবেশে বসার অভিজ্ঞতা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। এই দুই তরুণ রাইটারের উদ্যোগ প্রমাণ করে, মানবিকতা ও সহযোগিতাই সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তাদের এই প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে সমাজের কাছে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।





