স্কুলের দেওয়ালে মনীষীদের ছবি, স্মরণীয় দিনপঞ্জি শুরু করে জরুরি ফোন নম্বর সবই সুন্দরভাবে সাজানো। স্কুলের সহকারী শিক্ষক সুকুমার মণ্ডল জানান, “প্রধান শিক্ষকের সহমর্মিতা ও সুযোগ্য নেতৃত্বেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।” স্কুলের মূল আকর্ষণ প্রাকৃতিক পরিবেশ। স্কুল প্রাঙ্গণে রয়েছে, টবের ওপর মাটি ছাড়াই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ করা হচ্ছে নানা ধরনের ফুলগাছ। বইয়ের পাতায় পড়া ওষধি গাছ বা সবজি এখন হাতের নাগালেই দেখছে পড়ুয়ারা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ মাসে ২১০০০-২৭০০০ টাকা বেতন! রেলের বিদ্যালয়ে প্রচুর শিক্ষক নিয়োগ, আবেদনের খুঁটিনাটি জানুন
আরও পড়ুনঃ মডেল স্কুলে শিক্ষকতার সুবর্ণ সুযোগ! কীভাবে, কারা আবেদন করবেন? কত বেতন? জানুন বিস্তারিত
গান বাজনার জন্য রয়েছে হারমোনিয়াম, ডুগি তবলা, আধুনিক মাইক সেট এবং একটি বড় টিভি। এছাড়া বৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য রয়েছে বিশেষ সরঞ্জাম। স্কুলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর নিজস্ব ‘মন্ত্রিসভা’। পরিবেশ সচেতনতা বজায় রাখতে শিশুদের নিয়ে গঠিত এই মন্ত্রিসভার সদস্যরা নিয়মিত গাছে জল দেওয়া এবং স্কুলের পরিচ্ছন্নতার খেয়াল রাখে। বর্তমানে স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২৬৫ এবং শিক্ষক সংখ্যা ৬ জন। অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিবিড় সম্পর্কের কারণে পাশের এলাকার পড়ুয়ারাও এখানে ভর্তি হতে আগ্রহী।
স্কুলের এই অভাবনীয় পরিকাঠামোর জন্য ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’ এ জেলা স্তরে প্রথম স্থান অধিকার করেছে এই বিদ্যালয়। পরিদর্শনে আসা DI ও SI-রাও স্কুলের পরিবেশে মুগ্ধ। প্রধান শিক্ষক উজ্জ্বল হক কাদেরী বলেন, “বাচ্চাদের মনের তৃপ্তির জন্যই এই বাগান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ। এখানে ছাত্রছাত্রীরা নিজেরাই গাছের পরিচর্যা করে, একটি ফুলও কেউ নষ্ট করে না।”





