তিনি জানান, পরীক্ষার হলে ঢুকেই প্রথম কাজ হওয়া উচিত প্রশ্নপত্র অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ে নেওয়া। বিশেষ করে এমসিকিউ ও এসএকিউ অংশ ভালভাবে বুঝে উত্তর করলে নম্বর পাওয়া অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। অনেক সময় তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে পরীক্ষার্থীরা প্রশ্ন ভুল বোঝে এবং তার ফলেই নম্বর কাটা যায়।
আরও পড়ুন: বলুন তো কোন ভিটামিনের অভাবে রাতে ঘুমের মধ্যে মুখ দিয়ে লালা ঝরে? কোন সমস্যার লক্ষণ? এখনই জানুন
advertisement
খাতা উপস্থাপনার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন শিক্ষক চিরঞ্জিত ঘোষ। তাঁর মতে, পরীক্ষার খাতা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। অযথা কাটাকুটি না করে ভুল হলে এক দাগ টেনে সংশোধন করাই শ্রেয়। পাশাপাশি খাতায় পরীক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর যেন নির্ভুল ও পরিষ্কারভাবে লেখা থাকে, সে দিকেও সতর্ক থাকার কথা বলেন তিনি।
ইতিহাসের প্রস্তুতিতে নিয়মিত প্র্যাকটিসের উপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিলেন শিক্ষক। তিনি বলেন, প্রতিটি উত্তরের জন্য আলাদা অনুচ্ছেদ ব্যবহার করলে পরীক্ষকের পক্ষে খাতা মূল্যায়ন করা সহজ হয় এবং খাতার উপস্থাপনও সুন্দর দেখায়। এতে ভাল ‘ইমপ্রেশন’ তৈরি হয় এবং নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে আসে পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক শান্তির কথা। পরীক্ষার আগের দিন ঠিকমতো ঘুম না হলে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি টেস্ট পেপার সম্পূর্ণ করলে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়। বানান ভুল নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার প্রয়োজন না থাকলেও হাতের লেখা পরিষ্কার ও গুছিয়ে হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলেই মনে করেন তিনি।
সব মিলিয়ে পরিকল্পনা মেনে, নিয়মিত চর্চা করে এবং চিন্তামুক্ত থেকে প্রস্তুতি নিলেই মাধ্যমিকের ইতিহাসে সাফল্য নিশ্চিত, এমনটাই মত শিক্ষক চিরঞ্জিত ঘোষের।





