স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে অন্য স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাবে ৯,৭১,৩৪০ পড়ুয়া। এ সময় মাথায় থাকে শুধুমাত্র পরীক্ষার চিন্তাই। কিন্তু পাঠ্যক্রমের বাইরে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। কারণ, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কড়া নির্দেশিকায় এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যা না মানলে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে।
আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষায় এবার রচনা কোন কোন বিষয়ে আসতে পারে? রইল শেষ মুহূর্তের সাজেশন
advertisement
পরীক্ষার হলে কী কী নেওয়া জরুরি? পরীক্ষা কক্ষে অবশ্যই আসল অ্যাডমিট কার্ড এবং রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে যেতে হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রের ভিতরে কোনও অভিভাবকের প্রবেশ নিষিদ্ধ। পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনও ধরনের মুঠোফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। করলে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে।
আরও পড়ুন: নবম বাজেট-৯ রকম শাড়ি! অর্থমন্ত্রীর প্রতি লুকেই ‘বিশেষ’ বার্তা, ২০২৬-এ কোন শাড়ি পরলেন নির্মলা?
স্মার্ট ওয়াচ, ক্যালকুলেটারের মতো কোনও বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না। পরীক্ষা শেষ হবে দুপুর ২টোয়। তার আগে প্রশ্নপত্র নিয়ে পরীক্ষাকক্ষ থেকে বের হওয়া যাবে না। নকল করতে গিয়ে ধরা পড়লে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে। পরীক্ষার খাতায় নির্ধারিত স্থানে রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখতে হবে।
পরীক্ষা ব্যবস্থা সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। যা সচল থাকবে ২৪ ঘণ্টাই। সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে যে নম্বরগুলির মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে, সেগুলি হল— ০৩৩ ২৩২১ ৩৮১৩, ০৩৩ ২৩৫৯ ২২৭৭ এবং ০৩৩ ২৩৩৭ ২২৮২। পর্ষদের কন্ট্রোল রুমের কলকাতার আঞ্চলিক অফিসে ০৩৩ ২৩২১ ৩৮১১, বর্ধমানের আঞ্চলিক অফিসে ০৩৪ ২২৬৬ ২৩৭৭, মেদিনীপুরের আঞ্চলিক অফিসে ০৩২ ২২২৭ ৫৫২৪ এবং উত্তরবঙ্গের আঞ্চলিক অফিসে ০৩৫ ৩২৯৯ ৯৬৭৭ নম্বরের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়াও খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন হিসাবে আরও তিনটি নম্বর দেওয়া হয়েছে– ০৩৩ ২৩২১ ৩০৮৯, ০৩৩ ২৩২১ ৩৮১৬, ০৩৩ ২৩২১ ৩২১৬। এই নম্বরগুলিতে সভাপতি, সচিব ও অতিরিক্ত সচিবের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে জানানো হয়েছে।
