বাঁকুড়া বিষ্ণুপুর মহকুমা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করে পর্ষদ সভাপতি জানান, ষষ্ঠ পরীক্ষা পর্যন্ত রাজ্যে ৩৮ থেকে ৩৯ জন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। মোবাইল নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার কারণে। এগুলো অনেকটাই আটকানো গিয়েছে, তারপরেও যদি মোবাইল পাওয়া যায় কিছু করার থাকে না।
আরও পড়ুন: তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেই হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললেন রাজপাল যাদব, কিন্তু কেন? তোলপাড় বলিউড
advertisement
শনিবার ছিল মাধ্যমিকের ভূগোল পরীক্ষা। বিকেলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানাল, এ দিনও গোটা রাজ্যে ১২ পরীক্ষার্থী ধরা পড়েছে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগে। শুক্রবার পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল এক অভিনব প্রবণতা– পড়ুয়ারা দলবদ্ধ ভাবে একটি বা দু’টি মোবাইল নিয়ে ঢুকেছিল পরীক্ষাকেন্দ্রে। সেগুলিকে ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে জেনে নিচ্ছিল উত্তর। তারপর চলছিল টোকাটুকি। শনিবার অবশ্য অনেককেই ব্যক্তিগত ভাবে মোবাইল ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: পিএইচডি গবেষণাপত্রে ১০ শতাংশের বেশি AI ব্যবহার করা যাবে না, নয়া বিধি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের
কলকাতা ছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, কোচবিহার, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমানের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ধরা পড়েছে ১২ জন পরীক্ষার্থী। এদের মধ্যে কেউ কেউ শৌচাগারে মোবাইল রেখে এসেছিল। কেউ আবার মোবাইল নিয়ে ঢুকেছিল জুতো বা অন্তর্বাসের ভিতর। এক পরীক্ষার্থী মোবাইল বার করতে গিয়েই ধরা পড়ে যায়। বাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে উত্তর জেনেও ফেলেছিল। তাদের পুরও পরীক্ষাই বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
প্রিয়ব্রত গোস্বামী
