শেষ মুহূর্তে কীভাবে প্রস্তুতি নিলে বাংলা পরীক্ষায় ভাল ফল করা সম্ভব, সেই নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশ দিলেন জলপাইগুড়ির সরকারি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাগ্নিক ভট্টাচার্য।
তিনি জানান, পরীক্ষার হলে ঢুকে প্রথমেই প্রশ্নপত্র ভাল ভাবে পড়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ৩৬ নম্বরের এমসিকিউ ও এসএকিউ অংশ বুঝে উত্তর করলে নম্বর পাওয়া অনেক সহজ হয়। খাতা পরিষ্কার রাখার দিকেও বিশেষ নজর দিতে হবে। অযথা কাটাকুটি না করে ভুল হলে এক দাগে কেটে সংশোধন করাই শ্রেয়। পরীক্ষার খাতায় নাম, রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর যাতে একেবারে নির্ভুল এবং পরিষ্কার লেখা হয় সেদিকে নজর দিতে হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: মিরাকল হয়! ইন্দিরা গান্ধির মৃত্যুর পর দিল্লির অশান্তিতে নিখোঁজ অনিল, ৪০ বছর পর বাড়ি ফিরলেন
বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বঙ্গানুবাদ, ব্যাকরণ ও রচনা– সবকিছুই বিষয় অনুযায়ী নিয়মিত প্র্যাকটিস করা জরুরি। রচনার ক্ষেত্রে আত্মচেতনা, বিজ্ঞান, পরিবেশ, উত্তরবঙ্গের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা কিংবা কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বিষয়গুলি ভালভাবে প্রস্তুত রাখলে সুবিধা হবে। পাঁচ নম্বরের প্রশ্নে পার্ট মার্কিং থাকায় প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিটি উত্তর আলাদা অনুচ্ছেদে লিখলে পরীক্ষক বুঝতে সুবিধা পান এবং খাতাও সুন্দর দেখায়।
আরও পড়ুন: রাজ্যে নিপা ভাইরাস সংক্রমণ, বাঁচতে হলে কী করবেন? সতর্ক থাকার টিপস দিলেন স্বাস্থ্য আধিকারিক
এমসিকিউ-এর জন্য গল্প, কবিতা ও রিডিং অংশ খুঁটিয়ে পড়ার পরামর্শও দেন শিক্ষক। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়– ঘুম। পরীক্ষার আগের দিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। পাশাপাশি, টেস্ট পেপার সল্ভ করলে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়ে। সব মিলিয়ে চিন্তামুক্ত থেকে, পরিকল্পনা মেনে পড়াশোনা করলেই মাধ্যমিকে সাফল্য নিশ্চিত এমনটাই মত শিক্ষকের।





