শিক্ষকের মতে, মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞানে কোষ, বংশগতি ও বিবর্তন, পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনপ্রক্রিয়া সংক্রান্ত অধ্যায়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, দুটি ও পাঁচ নম্বরের প্রশ্নের ক্ষেত্রে বইয়ের সংজ্ঞা ও বৈজ্ঞানিক পরিভাষা স্পষ্টভাবে লেখার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। ডায়াগ্রাম আঁকার ক্ষেত্রে পরিষ্কার লেবেল ও পরিচ্ছন্ন উপস্থাপন পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত নম্বর পেতে সাহায্য করবে বলেও তিনি জানান।
advertisement
এছাড়াও দীর্ঘ প্রশ্নের ক্ষেত্রে উত্তর লেখার সময় ভূমিকা, মূল আলোচনা ও উপসংহার—এই তিনটি ভাগে উত্তর সাজানোর পরামর্শ দিয়েছেন ওই শিক্ষক। তাঁর বক্তব্য, জীবনবিজ্ঞান এমন একটি বিষয় যেখানে বিষয়বস্তুর পাশাপাশি উপস্থাপনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার্থীরা যেন সময়ের দিকে নজর রেখে উত্তর লেখে এবং অপ্রয়োজনীয় কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয়ে থাকে, সেদিকেও তিনি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। শিক্ষকের দেওয়া সাজেশন অনুযায়ী, আগের বছরের প্রশ্নপত্র ভালভাবে অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি। তাতে প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। পাশাপাশি এনসিআরটি ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নির্ধারিত পাঠ্যবইয়ের বাইরে না গিয়ে বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় ভালোভাবে রিভিশন দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, পরীক্ষার আগে কোন অধ্যায়ে বেশি জোর দিতে হবে তা বুঝতে এই দিকনির্দেশনা যথেষ্ট সহায়ক হয়েছে। অভিভাবকরাও মনে করছেন, অভিজ্ঞ শিক্ষকের এমন পরামর্শ পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কিছুটা হলেও কমাবে। মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে এই ধরনের বিষয়ভিত্তিক সাজেশন পড়ুয়াদের সঠিক পথে প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করছে বলেই মত শিক্ষকমহলের।





