বয়স ১৮ বছর। দীর্ঘ চার বছর ধরে শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে আজ সে পৌঁছায় পরীক্ষাকেন্দ্রে নিজের মায়ের কোলে চড়ে। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সমস্ত কষ্ট ভুলে মায়ের এই লড়াই যেন মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত পুলিশকর্মী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা অনন্যাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। হুইলচেয়ার ও অন্যান্য সহায়তার মাধ্যমে তাকে নিরাপদে পরীক্ষাকক্ষে পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রশাসনের এই সহযোগিতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অনন্যার পরিবার।
advertisement
এদিন এই পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট ৩৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। কিন্তু সকলের চোখে আলাদা করে নজর কেড়েছে অনন্যার সংগ্রামী উপস্থিতি। অসুস্থ শরীর নিয়েও দৃঢ় মনোবল আর ইচ্ছাশক্তির জোরে পরীক্ষায় বসার সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার উদাহরণ।
অনন্যার মা জানান, “মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ না হয়, সেটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল। আজ ও পরীক্ষা দিতে পেরেছে, এটাই আমার সবচেয়ে বড় সাফল্য।” সন্তানের এই সাফল্যে গর্বিত তিনি। অনন্যার এই লড়াই প্রমাণ করে দেয়, শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনও স্বপ্নের পথে বাধা হতে পারে না, যদি পাশে থাকে পরিবারের ভালোবাসা ও সমাজের সহানুভূতি।
Mainak Debnath





