আইআইটি খড়গপুরের অধিকর্তা অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী এবং চার্নক হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রশান্ত শর্মার উপস্থিতিতে এই চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়। এই যৌথ উদ্যোগের হাত ধরে আগামী দিনে আইআইটি খড়গপুরের উন্নত গবেষণা ক্ষমতা এবং চার্নক হাসপাতালের ক্লিনিকাল অভিজ্ঞতাকে এক সুতোয় গাঁথা হবে। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মেশিন লার্নিং (ML)-এর মত আধুনিক প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে রোগীদের তথ্য বিশ্লেষণ, রোগ নির্ণয়ের ডিজিটাল পদ্ধতি এবং উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়ন করাই এই সহযোগিতার প্রধান লক্ষ্য।
advertisement
এই প্রকল্পের অধীনে কেবল গবেষণাই নয়, বরং ইঞ্জিনিয়ার ও চিকিৎসকদের জন্য যৌথ প্রশিক্ষণ শিবিরেরও পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে কারিগরি উদ্ভাবনগুলো পরীক্ষাগার থেকে দ্রুত হাসপাতালের বেডসাইড বা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তীর মতে, গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা তখনই অনুভূত হয়, যখন তা সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে এবং মানুষের সেবায় কাজে লাগে। এই সমন্বয় গবেষণাগার ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যবর্তী ব্যবধান ঘোচাতে বিশেষ ভূমিকা নেবে।অন্যদিকে, প্রশান্ত শর্মা জানান, আইআইটির মত বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত সহায়তা চার্নক হাসপাতালের চিকিৎসাপদ্ধতিকে আরও আধুনিক ও নির্ভুল করতে সাহায্য করবে।
শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই মেলবন্ধন ভারতের সামগ্রিক চিকিৎসা পরিকাঠামোকে স্বনির্ভর ও উন্নত করার পথে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
আইআইটি খড়গপুর বরাবরই আন্তঃবিষয়ক গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে, এই নয়া চুক্তি সেই সাফল্যের মুকুটে আরও একটি উজ্জ্বল পালক যোগ করল।






