আরও পড়ুনঃ ফল তো সকলেই খাই! বলুন তো কোন ফলে পোকা হয় না? নামটা কিন্তু খুবই পরিচিত!
৫ লক্ষ ৯ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা বেশি। ৪৫.৩২ শতাংশ ছেলে ও ৫৪.৬৮ শতাংশ মেয়ে। যা ছাত্রদের থেকে ছাত্রীর সংখ্যা ৪৭৬৭১ জন বেশি। ২৩টি জেলায় ২০৮৯টি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। ৫২৮ জন বিশেষ ভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থী রাইটার এবং এক্সটা টাইম-সহ পরীক্ষা দিচ্ছেন। ১৩৬টি স্পর্শকাতর কেন্দ্র হিসাবে চিন্হিত করা হয়েছে। প্রতি ২৫ জন পড়ুয়া পিছু একজন করে পরিদর্শক রাখা হচ্ছে। কোনও পড়ুয়া মোবাইল বা ইলেক্ট্রনিক্স গ্যাজেট নিয়ে প্রবেশ করছেন কি না তা খতিয়ে দেখবেন পরিদর্শকরা। তবে, প্রতিটি ঘরে নূন্যতম ২জন পরিদর্শক রাখতেই হবে। অর্থাৎ, যে ঘরে ২০জন পড়ুয়া কি ৫০ জন পড়ুয়া পরীক্ষা দিচ্ছেন সেই ঘরে ২জন পরিদর্শক থাকবেন। যখনই সেই সংখ্যা ৫০এর অধিক হয়ে যাবেন তখন আবার তিন জন পরিদর্শক রাখতে হবে। কোনও পড়ুয়ার কাছ থেকে মোবাইল ধরা পড়লে সে আর এই বছর কোনও পরীক্ষাই দিতে পারবেন না। চলতি বছর প্রথম ডেটা সায়েন্স ও কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষা হবে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে। মোট ৬২টি বিষয়ের পরীক্ষা হবে ১৫টি ভাষায়।
advertisement
এছাড়াও চলতি বছর থেকে অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষা কেন্দ্রের নাম প্রকাশিত করা হচ্ছে। গত বছর দেখা গিয়েছিল ভুল পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে চলে গিয়েছিলেন পড়ুয়া। তার পরেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যে ঘরে যত পরীক্ষার্থীর রয়েছে সেই সংখ্যা অনুযায়ী ওই ঘরেই প্রশ্নপত্র খোলা হবে। অর্থাৎ ১০টা থেকে পরীক্ষা শুর, ৯টা ৫৫তে প্রশ্নপত্র খোলা হবে পরীক্ষার্থীদের সামনেই। ই-সিরিয়াল নম্বর দেওয়া থাকবে সিকিউরিটির জন্য। এছাড়াও কিউআর কোড বার কোড থাকছে। মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাতে না প্রবেশ করতে পারেন কোনও পড়ুয়া তার জন্য থাকবে মেটাল ডিটেক্টর। পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় এবং যেখানে প্রশ্নপত্র থাকবে সেখানে সিসিটিভি থাকবে।
আরও পড়ুনঃ সেমিস্টারের আগে শেষ উচ্চ মাধ্যমিকে বাড়ল ছাত্রীসংখ্যা, পরীক্ষার হলে এবার বিরাট কড়াকড়ি! জানুন
৩ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা। এই সময় উচ্চমাধ্যমিক সংক্রান্ত কোনও সমস্যার কথা জানাতে হলে চালু থাকছে হেল্প লাইন নম্বর। ০৩৩২৩৩৭০৭৯২- ২৩৩৭৯৬৬১ এই নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে কোনও সমস্যায়। অ্যাডমিট কার্ডে থাকছে পরীক্ষা কেন্দ্রের নাম, নিরাপত্তায় আরো কড়াকড়ি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায়।
