Kumar Shanu School: প্রায় এক যুগ ধরে ক্যানিংয়ে স্কুল চলে 'কুমার শানু' নামে! ১৪ বছরের জন্মদিনে হাজির স্বয়ং গায়ক
- Reported by:Suman Saha
- local18
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
কুমার শানু ক্যানিংয়ের বাহির বেনায় ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত স্কুলের ১৪ তম জন্মদিনে উপস্থিত হন, সুন্দরবনের দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের জন্য গড়া এই স্কুল নিয়ে তার আরও পরিকল্পনা রয়েছে.
advertisement
1/6

এক যুগ ধরে ক্যানিংয়ে স্কুল চালান সংগীত জগতে বিখ্যাত সংগীত শিল্পী দ্য লিভিং লিজেন্ট কুমার শানু। প্রায় ১৪ বছর ধরেই চলছে ওই স্কুল। আর সেই স্কুলে ১৪ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে স্কুলে ছুটে আসেন বিখ্যাত এই সংগীতশিল্পী সুন্দরবনের এলাকায় দুঃস্থ অসহায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি স্কুল তৈরি করেন তিনি। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
2/6
এদিন কুমার শানু ক্যানিংয়ে এসে পৌঁছান ক্যানিংয়ের বাহির বেনায় এলাকায় । তিনি কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আড্ডা ও মারেন তিনি। এ পাশাপাশি এই স্কুল নিয়ে তার আরও অনেক পরিকল্পনা আছে বলে তিনি জানিয়েছেন। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
3/6
২০০৯ সালে সুন্দরবনের বিধ্বংসী ঝড় আইলাতে তছনছ হয়ে পড়ে গোটা সুন্দরবন এলাকা। এরপর কুমার শানু সিদ্ধান্ত নেন এই সমস্ত এলাকা দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যন্ত এলাকার স্কুল তৈরির।
advertisement
4/6
২০০৯ সালে আইলা ঘটনার পর তিনি সুন্দরবনে ভ্রমণে এসে। আইলা বিভিন্ন জায়গার ক্ষত চিহ্ন দেখে তার মন কেঁদে উঠেছিল গায়কের। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন সুন্দরবনের ছেলেমেয়েদের জন্য তিনি কিছু একটা করে দেখাতে। আর ঠিক যেমনই ভাবনা তেমনি কাজ করে দেখালেন। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
5/6
আর তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন সঙ্গে সঙ্গে কুমার শানুর ফ্যান ক্লাবে সদস্যদের সাথে তিনি যোগাযোগ করেন এবং তাদেরকে নির্দেশ দেন সুন্দরবন এলাকার দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের জন্য তিনি একটি স্কুল তৈরি করতে চান। সেইমতো ২০১২ সালে ক্যানিং এর বাহির বেনায় তৈরি হয় স্কুল। আর সেই স্কুলের ১৪ তম জন্মবার্ষিকীতে তিনি এসে পৌঁছান। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
6/6
এলাকার মানুষের তাকে ঘিরে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো সবাই তাকে শুভেচ্ছা বার্তায় ভরিয়ে দেয়। এর পাশাপাশি এই স্কুলকে যাতে আরো ভাল ভাবে উন্নতি করা যায় সে বিষয় কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা করে স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে। সেদিন বিখ্যাত গায়ককে কাছে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী থেকে এলাকার মানুষজন। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)