কলেজ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের বিআরডি মেডিক্যাল কলেজের ওই ছাত্র ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষের এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হন। এরপর গত প্রায় ১১ বছরে তিনি আর কোনও পরীক্ষায় বসেননি। তা সত্ত্বেও ২০১৪ সাল থেকে তিনি কলেজের স্নাতক স্তরের হস্টেলেই বসবাস করে চলেছেন। কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, এই দীর্ঘ সময়ে ছাত্র পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করেননি এবং কোনও একাডেমিক কার্যক্রমেও অংশ নেননি।
advertisement
ঠান্ডায় বেরোলে সাপের শরীরে কী হয়? শীতে ২৪ ঘণ্টা সাপেরা কী করে? জানলে শিউরে উঠবেন!
১০ ডিগ্রিতে নামল পারদ! কলকাতায় এই প্রথম কি এত ঠান্ডা? এখনও ‘সর্বনিম্ন’ রেকর্ড নয়, বলছে আবহাওয়া দফতর
বর্তমান মেডিক্যাল শিক্ষাবিধি অনুযায়ী, প্রথম বর্ষের এমবিবিএস পরীক্ষায় ফেল করলে নতুন করে ভর্তি হতে হয় না। শুধুমাত্র পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করলেই পরীক্ষায় পুনরায় বসার সুযোগ থাকে। এই নিয়মের কারণেই ছাত্রটির নাম নথিভুক্ত অবস্থায় থেকেই যাচ্ছে এবং কলেজের হাতে একতরফাভাবে তাঁর ভর্তি বাতিল করার ক্ষমতা নেই।
কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একাধিকবার ছাত্রটিকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনও ইতিবাচক ফল মেলেনি। পরে বিষয়টি নিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। তবে অধ্যক্ষের দফতর থেকে তিনবার ফোন করা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত তিনি কলেজে এসে কোনও আলোচনা করেননি। কর্তৃপক্ষের মতে, অধুনা যুবক সেই ছাত্রের শিক্ষাজীবন নিয়ে তাঁর আগ্রহ বা উদ্যোগও চোখে পড়েনি।
এই ঘটনায় হস্টেল ব্যবস্থাপনাও জটিল হয়ে উঠেছে। কাগজে-কলমে ছাত্রটির ভর্তি বহাল থাকায় তাঁকে হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই। কলেজ সূত্রে জানানো হয়েছে, সাধারণত পরীক্ষার ফর্ম পূরণের সময়ই মেস ফি নেওয়া হয়। যেহেতু ছাত্রটি বহু বছর ধরে ফর্ম পূরণ করেননি, তাই তিনি কোনও মেস ভাড়া দেননি। অথচ এই দীর্ঘ সময়ে তিনি হস্টেলে থেকে বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার সুবিধা ভোগ করে চলেছেন।
এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির নিরসনে এখন এনএমসি কী নির্দেশ দেয়, তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে কলেজ।
