কাঁচামালের কিছু অংশ সংগ্রহ করা হয় কলকাতা থেকে। পাশাপাশি স্থানীয় এলাকায় বিভিন্ন দোকান থেকে ভাঙা ফ্রেম, পুরনো প্লাস্টিক ফুল বাল্ক অর্ডারে কিনে এনে সেগুলিকে নতুন রূপ দেন তিনি। বাড়িতেই স্ত্রী সুস্মিতা দাসকে সঙ্গে নিয়ে অর্ডার অনুযায়ী তৈরি হয় থ্রিডি ফ্রেম। ফ্রেম, কৃত্রিম ফুল ও ছবির সমন্বয়ে তৈরি এই ফটো ফ্রেমগুলো দেখতে এতটাই জীবন্ত যে, অনেকেই একে বাস্তব বলে ভুল করেন।
advertisement
শুরুর দিকে পরিচিতি কম থাকলেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা বাড়ে এই উদ্যোগের। বর্তমানে রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে ভিন রাজ্য থেকেও অনলাইনে অর্ডার আসছে। কুরিয়ারের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে পণ্য। পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় ব্লকের রানীসরাই এলাকায় থাকা তাঁদের ছোট্ট দোকানেও নিয়মিত বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফটো ফ্রেম ও গিফট সামগ্রী।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কম খরচে কাস্টমাইজড পরিষেবা ও সুলভ মূল্যের কারণে বাজারে চাহিদা বাড়ছে দ্রুত। বর্তমানে এই ব্যবসা থেকে প্রতি মাসে প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে দম্পতির। কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে সামান্য পুঁজি বিনিয়োগ করে স্বনির্ভর হওয়ার এই গল্প আজ সমাজের কাছে অনুপ্রেরণা। দিব্যেন্দু ও সুস্মিতা দাসের এই উদ্যোগ বহু যুবক-যুবতীকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছে।





