অশোকনগর থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে হরিণঘাটা দীঘলগ্রামে প্রায় ৫০০ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠেছে এই বিশাল ফুলের বাগিচা। বিঘার পর বিঘা জমি জুড়ে ফুটে রয়েছে নানা রঙের গোলাপ। পাশাপাশি রয়েছে সূর্যমুখী, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, জারবেরা, অর্কিড-সহ বিভিন্ন প্রজাতির ও বিভিন্ন রঙের ফুল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছেন দর্শনার্থীরা।
advertisement
জানা গিয়েছে, আধুনিক পলি হাউজ পদ্ধতিতে বর্তমানে এখানে ব্যাঙ্গালোর গোলাপ চাষ করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রায় চার বছর ধরে বিশেষ প্রযুক্তিতে জারবেরা চাষও চলছে। গাছ রোপণের পর প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যেই ফুল পাওয়া যায় বলে জানান অসীম মণ্ডল। এছাড়াও কয়েক বিঘা জমিতে ছাউনি দিয়ে অর্কিড চাষ করা হচ্ছে। এই বিশাল ফুলের বাগিচার পরিচর্যার দায়িত্বে রয়েছেন প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ জন কর্মী।
এখান থেকে তোলা ফুল ঠাকুরনগর বাজার, কলকাতার বিভিন্ন ফুলের বাজারের পাশাপাশি হাবড়া ও অশোকনগরের ফুল ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করা হয়। অসীম মণ্ডল জানান, মূলত জৈব সার ব্যবহার করেই এই ফুল চাষ করা হয়। বর্তমানে সারা বছরই এখানে গোলাপের চাষ চলছে। তাঁর কথায়, ফুল চাষ করেও স্বনির্ভর হওয়া যায়। ইচ্ছা থাকলে নিজের স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব। অশোকনগরের বুকে গড়ে ওঠা এই ফুলের উপত্যকা তাই শুধু সৌন্দর্যের নয়, স্বনির্ভরতারও এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।





