দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ নদীমাতৃক এলাকার মানুষজন এই চিংড়ির খোসা ছাড়ানোর কাজের সঙ্গে যুক্ত। সমুদ্র থেকে যে চিংড়ি ধরা পড়ে সেই চিংড়ি নিয়ে আসা হয় ফ্যাক্টরিগুলোতে। কয়েকবছর ধরে এই কাজ করার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে যাচ্ছিলেন। তাঁরা আবার কাজে ফিরছে বলে জানিয়েছেন ইলিয়াস পুরকাইত নামের এক ফ্যাক্টরির মালিক।
advertisement
আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনের পথে পথে ড্রপগেট-ব্যারিকেড! বন্ধ স্বাভাবিক যাতায়াত, কারণ জানালো বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ
অপরদিকে ফিশারিতে বাগদা ও ভেনামি চিংড়ি মরে ভেড়ির জলে ভেসে ওঠার সমস্যার সমাধান হয়েছে। এর ফলে চিংড়ির উৎপাদন বেড়েছে। আমেরিকা চিংড়ির উপরে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর পর চিংড়ি রফতানি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অল্প দামে দেশের লোকের কাছে মাছ-চিংড়ি বিক্রি করতে হচ্ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে চাহিদা প্রচুর বেড়েছে, তাতে চাহিদা অনুযায়ী জোগান দেওয়া সমস্যার দেখা গিয়েছে। তবে নতুন করে এই ব্যবসায় জোয়ার আসায় দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বাড়বে। ফলে খুশি সকলেই। এই উৎপাদন বৃদ্ধির হার বাড়লে সকলের সুবিধা হবে বলে জানিয়েছেন এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা ব্যক্তিরা।





