একসময় দার্জিলিং–সিকিমের পাহাড়ি এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল স্কোয়াশ চাষ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পাহাড়ি সবজিই আজ সমতলের মাটিতে সাফল্যের নতুন অধ্যায় লিখছে। ধূপগুড়ি ব্লকের ঝাড়আলতা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্কোয়াশ চাষ এখন কৃষকদের কাছে ভরসার ফসল হয়ে উঠেছে। ভাদ্র–আশ্বিন মাসে বীজ বপনের পর শীত নামতেই সবুজ লতায় ভরে ওঠে বিস্তীর্ণ জমি। বর্তমানে জমি থেকেই স্কোয়াশের পাইকারি দর কিলো প্রতি প্রায় ১০ টাকা, যদিও সময়ভেদে তা ৪০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।
advertisement
আরও পড়ুন: অসময়ে ফুলকপি-বাঁধাকপি চাষ! অঢেল লাভের মুখ দেখার সুযোগ চাষিদের, শুধু জানতে এইসব টিপস
কম খরচ, কম পরিশ্রম আর তুলনামূলকভাবে নিশ্চিত বাজার—এই তিন কারণেই আলুর বদলে স্কোয়াশ চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক। চাষের জমি থেকেই পাইকাররা সরাসরি স্কোয়াশ কিনে নিচ্ছেন। ধূপগুড়ি পাইকারি বাজার হয়ে এই আনাজ পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়িয়ে দেশের নানা প্রান্তে। সারা বছর চাহিদা থাকায় এই ফসল কৃষকদের কাছে লাভজনক বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছে। তবে গত অক্টোবরের বন্যায় অনেক খেতে জল দাঁড়িয়ে যাওয়ায় কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল চাষিদের। ফলে ফলন কমলেও বাজারদর সন্তোষজনক থাকায় মুখে হাসি ফিরেছে কৃষক পরিবারগুলোর।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কৃষক বিশ্বনাথ সরকার জানান, তিন বছর আগে নিজে শুরু করলেও তাঁর পরিবার প্রায় ১৫ বছর ধরে এই চাষের সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে আয়েশা সরকার বলেন, সপ্তাহে একদিন ফসল তুলে খেত থেকেই পছন্দের দামে বিক্রি করছেন তাঁরা। পাইকারি ব্যবসায়ীদের মতে, স্কোয়াশের চাহিদা এখন আকাশছোঁয়া। সব মিলিয়ে, পাহাড়ি স্কোয়াশ আজ ধূপগুড়ির সমতলে কৃষকদের নতুন আশার আলো হয়ে উঠেছে।





