তবে শুরুটা সহজ ছিল না। কীভাবে জুয়েলারি তৈরি করতে হয় সে বিষয়ে তার কোনও প্রশিক্ষণ ছিল না। তবুও নিজের আগ্রহ আর ইচ্ছাশক্তিকেই ভরসা করে এগিয়ে যায় প্রতিমা। জুয়েলারি তৈরির কৌশল শেখার জন্য ইউটিউবকেই ভরসা করে সে। বিভিন্ন টিউটোরিয়াল দেখে ধীরে ধীরে শিখতে থাকে নতুন নতুন ডিজাইন। কিন্তু বড় সমস্যা ছিল পুঁজি। কলেজ পড়ুয়া হওয়ায় হাতে তেমন টাকা ছিল না। তাই টিউশনের খরচ বাঁচিয়ে মাত্র ৪০০ টাকা জোগাড় করে প্রতিমা। সেই টাকায় অনলাইন থেকে কিছু কাঁচামাল কিনে আনে।
advertisement
আরও পড়ুন: গোল্ড লোনের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলেই কি সোনা নিলামে ওঠে? জানুন প্রক্রিয়ার সমস্ত তথ্য
ছোট্ট সেই উদ্যোগ থেকেই শুরু হয় তার কাজ। প্রথমে কয়েকটি জুয়েলারি তৈরি করে বন্ধুদের দেখায়। বন্ধুরাই প্রথম তার কাছ থেকে জুয়েলারি কেনে। এতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। এরপর ধীরে ধীরে আশেপাশের মানুষও তার কাজের কথা জানতে পারে। স্থানীয় দোকান থেকেও তার কাছে অর্ডার আসতে শুরু করে।প্রতিমার জুয়েলারির বিশেষত্ব তার সৃজনশীলতা। প্রতিটি ডিজাইনে থাকে নতুনত্ব। তার তৈরি জুয়েলারির মধ্যে রয়েছে হাতের চুড়ি, গলার হার ও কানের দুলসহ নানা ধরনের অলংকার। সবকিছুই সে নিজের হাতে যত্ন করে তৈরি করে।
আরও পড়ুন: ক্রেডিট কার্ডের নিয়ম পরিবর্তন হতে চলেছে, এর প্রভাব কি পকেটের উপর পড়বে? দেখে নিন এক নজরে
পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াকেও কাজে লাগায় প্রতিমা। নিজের তৈরি জুয়েলারির ছবি নিয়মিত আপলোড করে। সেই ছবি দেখেই অনেক ক্রেতা আগ্রহ দেখাতে শুরু করেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও তার কাছে অর্ডার আসছে। এখন তার তৈরি জুয়েলারির চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ছে। স্থানীয় দোকানের পাশাপাশি অনলাইন মাধ্যমেও বিক্রি হচ্ছে তার জিনিস। প্রতিমা প্রমাণ করেছে ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়। ভবিষ্যতে নিজের একটি বড় ব্র্যান্ড তৈরি করার স্বপ্ন দেখছে সে।
মদন মাইতি





