advertisement

PM Kisan: এবার থেকে ‘এই’ আইডি না থাকলে মিলবে না যোজনার টাকা ?

Last Updated:
PM Kisan: পিএম কিষান প্রকল্পে বড় আপডেট—এবার ফার্মার আইডি ছাড়া মিলবে না কিস্তির টাকা। এই কাজ না করলে ২০০০ টাকার সহায়তা বন্ধ হতে পারে।
1/7
দেশজুড়ে কোটি কোটি কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী পিএম কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। মার্চ ২০২৬-এ ২২তম কিস্তির টাকা সফলভাবে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার পর, এখন সবার নজর ২৩তম কিস্তির দিকে। তবে এবার কেন্দ্রীয় সরকার নতুন নিয়ম চালু করায়, পরবর্তী কিস্তির টাকা পেতে কৃষকদের অবশ্যই কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
দেশজুড়ে কোটি কোটি কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী পিএম কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। মার্চ ২০২৬-এ ২২তম কিস্তির টাকা সফলভাবে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার পর, এখন সবার নজর ২৩তম কিস্তির দিকে। তবে এবার কেন্দ্রীয় সরকার নতুন নিয়ম চালু করায়, পরবর্তী কিস্তির টাকা পেতে কৃষকদের অবশ্যই কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
advertisement
2/7
যোজনার স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং প্রকৃত যোগ্যদের কাছেই অর্থ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ‘কৃষক রেজিস্ট্রি’ বা ইউনিক ফার্মার আইডি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বর্তমানে Andhra Pradesh, Telangana-সহ দেশের ১৪টি রাজ্যে এই নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পিএম কিষান প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের জন্যও এই আইডি নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হয়ে গিয়েছে। তা না হলে পরবর্তী কিস্তির ২,০০০ টাকার আর্থিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন। এই তথ্য News18 Hindi প্রকাশ করেছে।
যোজনার স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং প্রকৃত যোগ্যদের কাছেই অর্থ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ‘কৃষক রেজিস্ট্রি’ বা ইউনিক ফার্মার আইডি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বর্তমানে Andhra Pradesh, Telangana-সহ দেশের ১৪টি রাজ্যে এই নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পিএম কিষান প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের জন্যও এই আইডি নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হয়ে গিয়েছে। তা না হলে পরবর্তী কিস্তির ২,০০০ টাকার আর্থিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন। এই তথ্য News18 Hindi প্রকাশ করেছে।
advertisement
3/7
এছাড়াও যোগ্যতার মানদণ্ডের ক্ষেত্রেও সরকার কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারির পর যারা জমির মালিকানা পেয়েছেন, তারা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাবেন না। আগে কিছু ক্ষেত্রে তারা সুবিধা পেলেও, সাম্প্রতিক যাচাইয়ে অযোগ্যদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া একই পরিবারে স্বামী-স্ত্রী বা বাবা-ছেলের নামে একাধিক ব্যক্তি সুবিধা নিচ্ছেন—এমন ঘটনাগুলিও চিহ্নিত করে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হচ্ছে। ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই অর্থপ্রদান স্থগিত থাকতে পারে।
এছাড়াও যোগ্যতার মানদণ্ডের ক্ষেত্রেও সরকার কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারির পর যারা জমির মালিকানা পেয়েছেন, তারা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাবেন না। আগে কিছু ক্ষেত্রে তারা সুবিধা পেলেও, সাম্প্রতিক যাচাইয়ে অযোগ্যদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।এছাড়া একই পরিবারে স্বামী-স্ত্রী বা বাবা-ছেলের নামে একাধিক ব্যক্তি সুবিধা নিচ্ছেন—এমন ঘটনাগুলিও চিহ্নিত করে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হচ্ছে। ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই অর্থপ্রদান স্থগিত থাকতে পারে।
advertisement
4/7
ইউনিক ফার্মার আইডি কৃষকদের জন্য একটি ডিজিটাল পরিচয় হিসেবে কাজ করে। এতে জমির বিবরণ, ফসলের তথ্য, সার ব্যবহারের তথ্য, পশুপালন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সংরক্ষিত থাকে। এর ফলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে বারবার নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যাবে।

এছাড়াও সার ভর্তুকি, বিজ সরবরাহ, ফসল বিমার মতো পরিষেবাগুলি আরও সহজে পাওয়া সম্ভব হবে।
ইউনিক ফার্মার আইডি কৃষকদের জন্য একটি ডিজিটাল পরিচয় হিসেবে কাজ করে। এতে জমির বিবরণ, ফসলের তথ্য, সার ব্যবহারের তথ্য, পশুপালন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সংরক্ষিত থাকে। এর ফলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে বারবার নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যাবে।এছাড়াও সার ভর্তুকি, বিজ সরবরাহ, ফসল বিমার মতো পরিষেবাগুলি আরও সহজে পাওয়া সম্ভব হবে।
advertisement
5/7
কৃষকরা এই আইডির জন্য তাদের রাজ্য সরকারের অ্যাগ্রিস্ট্যাক পোর্টাল বা কৃষি দফতরের মাধ্যমে অনলাইনে নথিভুক্ত করতে পারেন। রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার জন্য আধার কার্ড, আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর এবং জমির নথি প্রয়োজন। পাশাপাশি ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক।
কৃষকরা এই আইডির জন্য তাদের রাজ্য সরকারের অ্যাগ্রিস্ট্যাক পোর্টাল বা কৃষি দফতরের মাধ্যমে অনলাইনে নথিভুক্ত করতে পারেন। রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার জন্য আধার কার্ড, আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর এবং জমির নথি প্রয়োজন। পাশাপাশি ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক।
advertisement
6/7
একইভাবে, কৃষকরা সহজেই জানতে পারবেন তাদের নাম সুবিধাভোগীদের তালিকায় আছে কি না। পিএম কিষানের সরকারি ওয়েবসাইটে ‘Farmers Corner’-এ গিয়ে ‘Beneficiary List’ চেক করা যায়। সেখানে রাজ্য, জেলা, ব্লক (মণ্ডল) এবং গ্রাম নির্বাচন করে বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব। এছাড়াও ‘Know Your Status’ অপশনের মাধ্যমে পেমেন্টের অবস্থা সম্পর্কেও তথ্য জানা যায়।
একইভাবে, কৃষকরা সহজেই জানতে পারবেন তাদের নাম সুবিধাভোগীদের তালিকায় আছে কি না। পিএম কিষানের সরকারি ওয়েবসাইটে ‘Farmers Corner’-এ গিয়ে ‘Beneficiary List’ চেক করা যায়। সেখানে রাজ্য, জেলা, ব্লক (মণ্ডল) এবং গ্রাম নির্বাচন করে বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব।এছাড়াও ‘Know Your Status’ অপশনের মাধ্যমে পেমেন্টের অবস্থা সম্পর্কেও তথ্য জানা যায়।
advertisement
7/7
পিএম কিষান প্রকল্পের অধীনে প্রতি চার মাস অন্তর একবার করে অর্থ প্রদান করা হয়। সেই অনুযায়ী, ২৩তম কিস্তির টাকা ২০২৬ সালের জুন বা জুলাই মাসে আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যা হলে হেল্পলাইনের মাধ্যমে সমাধান পাওয়া যেতে পারে। সব মিলিয়ে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কৃষক আইডি নথিভুক্ত সম্পূর্ণ না করলে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন কর্মকর্তারা।
পিএম কিষান প্রকল্পের অধীনে প্রতি চার মাস অন্তর একবার করে অর্থ প্রদান করা হয়। সেই অনুযায়ী, ২৩তম কিস্তির টাকা ২০২৬ সালের জুন বা জুলাই মাসে আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যা হলে হেল্পলাইনের মাধ্যমে সমাধান পাওয়া যেতে পারে। সব মিলিয়ে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কৃষক আইডি নথিভুক্ত সম্পূর্ণ না করলে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন কর্মকর্তারা।
advertisement
advertisement
advertisement