advertisement

East Bardhaman News : বর্জ্যেই লুকিয়ে সৃষ্টির বীজ, ১০৮ শিব মন্দিরে পরিত্যক্ত সামগ্রীতেই প্রাণ পেলেন 'প্রকৃতি'

Last Updated:
Bardhaman : বর্জ্য থেকেই সৃষ্টি! শুধুমাত্র রং দিয়ে নয়, ফেলে দেওয়া পরিত্যক্ত উপকরণ দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ছবি। চিত্রের মধ্যে ধ্বংসস্তুপের মাঝে পদ্মফুল ফোটার ছবি। 
1/5
শুধুমাত্র বিভিন্ন রং দিয়ে নয় এবার ফেলে দেওয়া বিভিন্ন পরিত্যক্ত উপকরণ দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চিত্র। চিত্রের মধ্যে ধ্বংসস্তুপের মাঝে পদ্মফুল ফোটার ছবি সহ বিভিন্ন ছবি তুলে ধরা হয়েছে। 'প্রকৃতিকে রক্ষা করা মানেই নিজের অস্তিত্বকে রক্ষা করা' -এই বার্তা দিতেই ফেলে দেওয়ার বিভিন্ন জিনিস দিয়ে তৈরি করা হল শিল্পকর্ম। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
শুধুমাত্র বিভিন্ন রং দিয়ে নয়, এবার ফেলে দেওয়া বিভিন্ন পরিত্যক্ত উপকরণ দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চিত্র। চিত্রের মধ্যে ধ্বংসস্তুপের মাঝে পদ্মফুল ফোটার ছবি-সহ বিভিন্ন ছবি তুলে ধরা হয়েছে। 'প্রকৃতিকে রক্ষা করা মানেই নিজের অস্তিত্বকে রক্ষা করা' -এই বার্তা দিতেই ফেলে দেওয়ার বিভিন্ন জিনিস দিয়ে তৈরি করা হল শিল্পকর্ম। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
2/5
রাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ারের উদ্যোগে অস্তিত্বের নীরব জাগরণ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয় বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দির প্রাঙ্গনে। এই কর্মশালায় রং তুলির পাশাপাশি বিভিন্ন ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তোলেন শিল্পীরা।
রাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ারের উদ্যোগে অস্তিত্বের নীরব জাগরণ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয় বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দির প্রাঙ্গনে। এই কর্মশালায় রং তুলির পাশাপাশি বিভিন্ন ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তোলেন শিল্পীরা।
advertisement
3/5
বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ৬৩ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেছিলেন এই দিনের কর্মশালায়। ছাই, বালি সহ বিভিন্ন ফেলে দেওয়ার জিনিস ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন চিত্র ফুটিয়ে তুলতে।
বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ৬৩ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেছিলেন এই দিনের কর্মশালায়। ছাই, বালি-সহ বিভিন্ন ফেলে দেওয়ার জিনিস ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন চিত্র ফুটিয়ে তুলতে।
advertisement
4/5
শিল্পী রঙ্গাজীব রায় বলেন,ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পদ্মফুল ফোটা চিত্র ফুটিয়ে তুলেছি।কারন বিভিন্ন ফেলে দেওয়া জিনিস বা পরিত্যক্ত পদার্থ যা আমাদের সমাজ ও পরিবেশের অবহেলার নীরব প্রতীক। সেই ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ফুটে ওঠা পদ্মফুল জীবনের জাগরণ, পবিত্রতা এবং পুনর্জন্মের শক্তিকে ধারণ করে। চিত্রের অন্ধকার ও রুক্ষ টেক্সচার বর্তমান পরিবেশগত সংকট,দূষণ, ধ্বংস এবং প্রকৃতির ক্ষয়ের প্রতিফলন।
শিল্পী রঙ্গাজীব রায় বলেন,ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পদ্মফুল ফোটা চিত্র ফুটিয়ে তুলেছি।কারন বিভিন্ন ফেলে দেওয়া জিনিস বা পরিত্যক্ত পদার্থ যা আমাদের সমাজ ও পরিবেশের অবহেলার নীরব প্রতীক। সেই ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ফুটে ওঠা পদ্মফুল জীবনের জাগরণ, পবিত্রতা এবং পুনর্জন্মের শক্তিকে ধারণ করে। চিত্রের অন্ধকার ও রুক্ষ টেক্সচার বর্তমান পরিবেশগত সংকট,দূষণ, ধ্বংস এবং প্রকৃতির ক্ষয়ের প্রতিফলন।
advertisement
5/5
তিনি আরও বলেন,সেই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেই সবুজ পাতা ও প্রস্ফুটিত ফুল আশার বার্তা দেয়। প্রকৃতি কখনো হার মানে না, সে বারবার ফিরে আসে তার নিজস্ব শক্তিতে।এই কাজের মাধ্যমে আমি তুলে ধরতে চেয়েছি ধ্বংসের গভীরতার মধ্যেও সৃষ্টির সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে, যদি আমরা প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার সচেতন প্রচেষ্টা করি।(ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
তিনি আরও বলেন, সেই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেই সবুজ পাতা ও প্রস্ফুটিত ফুল আশার বার্তা দেয়। প্রকৃতি কখনো হার মানে না, সে বারবার ফিরে আসে তার নিজস্ব শক্তিতে।এই কাজের মাধ্যমে আমি তুলে ধরতে চেয়েছি ধ্বংসের গভীরতার মধ্যেও সৃষ্টির সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে, যদি আমরা প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার সচেতন প্রচেষ্টা করি। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
advertisement
advertisement