লঙ্কা চাষে খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও লাভের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। সাধারণত অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বীজতলা তৈরি করা হয়। এরপর নভেম্বরের শেষ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে চারা রোপণ করা হয় জমিতে। প্রায় ৭০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যে গাছে লঙ্কা ধরতে শুরু করে। এক বিঘা জমিতে চাষ করতে মোট খরচ পড়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এর মধ্যে বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের খরচ থাকে। এই এলাকায় ফলনও বেশ ভাল হয়।
advertisement
এই এলাকার কৃষকরা জানিয়েছেন, মরশুমে ৮ থেকে ১০ বার লঙ্কা তোলা যায়। প্রতি বিঘায় গড়ে ২০ থেকে ২৫ কুইন্টাল পর্যন্ত উৎপাদন হয়। বাজারদর ভাল থাকলে কৃষকরা প্রতি কুইন্টালে ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম পান। সেই হিসেবে এক বিঘা জমি থেকে মোট আয় দাঁড়ায় প্রায় ৬০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকে ৩০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এক লঙ্কা চাষি মণ্ডল বলেন, “ধান ও বাদামের তুলনায় লঙ্কা চাষ অনেক বেশি লাভজনক হয়ে উঠেছে। তাই প্রতি বছরই নতুন নতুন কৃষক এই চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আর এই এলাকায় উৎপাদন ও ভাল হয়।” জেলা উদ্যানপালন দফতরও কৃষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দিচ্ছে। ফলে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করে ফলন আরও বাড়ছে। বাজারে চাহিদা ভাল থাকায় ভবিষ্যতেও এই এলাকায় লঙ্কা চাষের পরিমাণ আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।





