শুক্রবার শেয়ার বাজারে তীব্র পতন দেখা গিয়েছে। দিনের শুরুতে লেনদেনের সময় সেনসেক্স এবং নিফটি ১ শতাংশের বেশি পড়ে যায়। সেনসেক্স ১০০৯ পয়েন্ট কমে দিনের সর্বনিম্ন ৭৪৬২৪.৭৮ পয়েন্টে নেমে আসে। নিফটিও ১ শতাংশের বেশি কমে ২৩,০০০.৮৫ পয়েন্টে নেমে আসে। দেশীয় শেয়ার বাজারের এই পতনে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এই পতনের কারণ হিসেবে দুর্বল এশীয় বাজার এবং রুপির নতুন রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছানোকে দায়ী করা হচ্ছে। এর পাঁচটি প্রধান কারণ জেনে নেওয়া যাক:
advertisement
আরও পড়ুন: সুখবর ! আরও সস্তা হল সোনা, দেখে নিন ১ গ্রামের দাম কত কমল
১- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত
ইরানের সঙ্গে চলমান ক্ষমতার লড়াইয়ের অবসানের কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরকে অবিশ্বাস করে, যার ফলে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তেজনা না কমলে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে যেতে পারে। এটি শেয়ার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
২- দুর্বল বৈশ্বিক পরিস্থিতি
এশিয়ার বেশ কয়েকটি প্রধান শেয়ার বাজারে তীব্র পতন দেখা গিয়েছে। আজ কোরিয়ার কোস্পি এবং জাপানের নিক্কেই ২ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। এসএন্ডপি ৫০০ এবং নাসডাকও ২ শতাংশ কমেছে।
আরও পড়ুন: ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে SBI কার্ডের নিয়ম পরিবর্তন হবে ! দেখে নিন এক ঝলকে
৩- রুপির রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তর
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রুপির অবস্থা খারাপ। আজ রুপি রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে। ১ ডলারের দাম কমে ৯৪.১৫৭৫-এ নেমে এসেছে। এর আগে ডলারের বিপরীতে রুপির রেকর্ড সর্বনিম্ন ছিল ৯৩.৯৮। উল্লেখ্য যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রুপির দর ৩.৫ শতাংশ কমেছে।
৪- অপরিশোধিত তেলের দামে অব্যাহত বৃদ্ধি উত্তেজনা বাড়াচ্ছে
সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া। আজ ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৮ ডলারে পৌঁছেছে।
৫- এফপিআই প্রত্যাহার
দেশীয় শেয়ার বাজার থেকে এফপিআই প্রত্যাহার অব্যাহত রয়েছে। এফপিআই ১,২৩,৬৮৮ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে।
