নিজের বাড়ির উঠোনে বেশ কয়েক ডেসিমেল জায়গাতে তিনি তৈরি করেছেন এক ছোট্ট নার্সারি। যেখানে বিভিন্ন রং-বেরঙের একাধিক প্রজাতির ফুল, ফলের গাছ রয়েছে, তেমনি রয়েছে পাতাবাহার থেকে বিভিন্ন ইনডোর প্ল্যান্টও। গত কয়েক বছর ধরেই গাছের পরিচর্যা এবং বিক্রি করছেন প্রত্যন্ত গ্রামের এই গৃহবধূ। তার অধীনে বেশ কয়েকজন কাজও করেন। তবে সকলেই মহিলা। নিজে এই নার্সারি তৈরি করার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার অন্যান্য মহিলা ও গৃহবধূদের দিচ্ছেন স্বনির্ভর হওয়ার দিশা। বাড়িতে সাংসারিক নানা কাজের পর এই কাজ করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন তিনি।
advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার খিরিন্দা এলাকার বাসিন্দা শ্যামলী ভঞ্জ। ছোট থেকেই গাছ লাগানো শখ। সেই শখকেই ধীরে ধীরে ব্যবসায় পরিণত করেছেন তিনি। প্রতিদিন নতুন নতুন চারাগাছ তৈরি থেকে বিক্রি সবই করেন বাড়ি থেকে। তার কাছে রয়েছে গোলাপ, জবা-সহ বিভিন্ন ভ্যারাইটির ফুল, ফলের গাছ। রয়েছে মনসা প্রজাতির নানা ইনডোর প্ল্যান্ট-সহ একাধিক গাছের বাগান। প্রতিদিন তার বাড়ি থেকে গাছ কিনে নিয়ে যান গাছপ্রেমী মানুষেরা।
নিজের পরিবার ঘর-সংসার সামলে তিনি বাড়িতে এই বাগান তৈরি করে স্বনির্ভর হচ্ছেন। প্রত্যন্ত গ্রামীন এলাকায় থেকে সাধারণ গৃহবধুর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলে। তবে অন্যান্য মহিলাদের উদ্বুদ্ধ করা এবং তাদেরকে স্বাবলম্বী করা এই প্রয়াসকে কুর্নিশ জানিয়েছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ।
রঞ্জন চন্দ





