কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ ঘিরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেকটাই। ১ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বাজেট পেশ করবেন। সেখানে পেট্রোল ও ডিজেলকে পণ্য ও পরিষেবা কর বা জিএসটির আওতায় আনার ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই পেট্রোল ও ডিজেলকে জিএসটির আওতায় আনার দাবি জানানো হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সাধারণ মানুষের উপর বড়সড় স্বস্তি আসতে পারে।
advertisement
আরও পড়ুন: টানা ৯বার বাজেট পেশ করে ইতিহাস গড়তে চলেছেন নির্মলা সীতারমণ
বর্তমানে বিভিন্ন শহরে পেট্রোলের দাম প্রায় ৯৫ টাকা থেকে ১০৫ টাকার মধ্যে রয়েছে। ডিজেলের দাম রয়েছে প্রায় ৮৮ টাকা থেকে ৯৬ টাকার মধ্যে।
এই মুহূর্তে পেট্রোল ও ডিজেলের উপর একাধিক কর আরোপ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রের আবগারি শুল্ক এবং রাজ্য সরকারের ভ্যাট। ভ্যাটের হার রাজ্যভেদে আলাদা হওয়ায় শহরভেদে জ্বালানির দামে ফারাক দেখা যায়। পেট্রোলিয়াম পণ্য এখনও জিএসটির আওতায় না আসায় ভ্যাট আরোপ করা হচ্ছে।
প্রচুর সোনা! ভারত থেকে মাত্র ৯ ঘণ্টা দূরের এই দেশ! এবার লক্ষ্য বিশ্বসেরা শীর্ষ দশের তালিকা
জিএসটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল, এই করব্যবস্থা চালু হলে অন্যান্য অনেক কর বাতিল হয়ে যায়। এর ফলে পণ্য ও পরিষেবার দাম কমে আসে। তবে পেট্রোল ও ডিজেলের ক্ষেত্রে কোন জিএসটি স্ল্যাব প্রযোজ্য হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বর্তমানে জিএসটির তিনটি প্রধান স্ল্যাব রয়েছে—৫ শতাংশ, ১৮ শতাংশ এবং ৪০ শতাংশ।
বর্তমানে পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরো দামে চারটি প্রধান উপাদান থাকে। এর মধ্যে রয়েছে উৎপাদন ও পরিবহণ খরচ, ডিলার কমিশন, কেন্দ্রের আরোপিত আবগারি শুল্ক এবং রাজ্য সরকারের ভ্যাট।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জিএসটি চালু হলে পেট্রোল ও ডিজেলের উপর থেকে ভ্যাট ও আবগারি শুল্ক তুলে নেওয়া হবে। এর ফলে খুচরো দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড়সড় স্বস্তি নিয়ে আসবে। পাশাপাশি পরিবহণ ও লজিস্টিক খরচ কমলে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও প্রভাব পড়তে পারে।
তবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সব রাজ্যের সম্মতি প্রয়োজন। কিছু রাজ্যের মত, পেট্রোল ও ডিজেলকে জিএসটির আওতায় আনা হলে রাজ্যের রাজস্বে প্রভাব পড়তে পারে।
