নার্সারি ব্যবসায় লাভের মুখ দেখছেন তারা। ধান অথবা বিভিন্ন সবজি চাষের থেকে এই চাষ যথেষ্ট লাভজনক এবং পরিশ্রম কম হয় বলে কৃষকদের তরফে জানা যায়। এলাকার এক কৃষক ভাইলেট জোজো, তিনি প্রথম ধান চাষ ছেড়ে নার্সারি শুরু করেছিলেন। তাকে দেখে এগিয়ে এসেছে এলাকার আরও কৃষক। নতুন আয়ের পথ দেখে খুশি এলাকার কৃষকরা।
advertisement
আরও পড়ুন: চা বলয়ে খুশির হাওয়া! শ্রমিক সন্তানদের জন্য রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প, মিলবে একগুচ্ছ সুবিধা
ভাইলেট জোজো জানান, বাড়ির সামনের জমিতে তিনি ধান চাষ করতেন। তবে হাতির তাণ্ডবে সেই ধানও ঘরে তোলা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পাশাপাশি, ধানের মতো অন্যান্য ফসল চাষে পরিশ্রমও অনেক। সেজন্যই গত বছর থেকে তিনি চাষের জমিতেই গাঁদা ফুল চাষ শুরু করেছিলেন ভাইলেট। তবে তার এক দু’মাস বাদে উৎসবের মরশুম শুরু হতেই বৃদ্ধি পায় ভাইলেটের চাষ করা সেই ফুলের চাহিদা। একে একে প্রচুর ক্রেতা ফুল কেনার জন্য ভিড় জমান। দুর্গা পুজো, কালীপুজো, ছট পুজোর মতো উৎসবের দিনে নিজের চাষ করা ফুল বিক্রি করে ব্যাপক লাভবান হয়েছেন বলেও দাবি ভাইলেট জোজোর।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তিনি জানান, “উৎসবের মরশুমের পাশাপাশি, এখন বিয়ের মরশুমও চলছে। ফলে আমার নার্সারির ফুলের চাহিদাও বেড়ে চলেছে। আর এই কারণেই শুধুমাত্র নার্সারিতে মনোনিবেশ করেছি।” এলাকায় মোট চারটি নার্সারি রয়েছে। এই নার্সারিগুলিতে গেলে মেলে প্রায় ৫০টি প্রজাতির গাছ। কালচিনি ব্লকের এরকম চাষের পূর্বে হয় নি বলেও দাবি কৃষকদের। নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা তাদের কাছে।





