এয়ার ইন্ডিয়ার চিফ কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং অফিসার রাজেশ ডোগরা জানাচ্ছেন যে, ‘‘বিমান যাত্রা সত্যিই একটা দারুণ অভিজ্ঞতা। আর আমরা চাই, আমাদের গ্রাহকরা যতটা সম্ভব নির্বিঘ্নে এই অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন। আর এই অভিজ্ঞতার উন্নতি করার জন্য আমরা অক্লান্ত ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চলেছি। যাতে এয়ার ইন্ডিয়া বাস্তবিক ভাবে বিশ্বমানের বিমান সংস্থা হয়ে উঠবে। আর সেই পদক্ষেপ করতেই প্রজেক্ট অভিনন্দন পরিষেবা গ্রহণ করেছি আমরা।’’
advertisement
এয়ার ইন্ডিয়ার এয়ারপোর্ট অ্যাসিস্ট্যান্স চালু করা হয়েছে আহমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, কালিকট, চেন্নাই, দিল্লি, গোয়া, গুয়াহাটি, হায়দরাবাদ, কোচি, কলকাতা, লখনউ, মুম্বই, নাগপুর, পুণে, বারাণসী এবং বিশাখাপত্তনমে। এর ফলে বিমানবন্দরের ভিতর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাত্রীদের অন-গ্রাউন্ড সহায়তা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে অন্যতম হল চেক-ইন এরিয়া অথবা লাউঞ্জ, বোর্ডিং গেটের আশপাশের এলাকা, অ্যারাইভাল হল প্রভৃতি।
আরও পড়ুন– সুখের সংসারে যেন কালো মেঘের ছায়া; ৬ জন স্ত্রী-কে নিয়ে বেজায় মুশকিলে যুবক !
বিমান সংস্থা জানিয়েছে যে, বিমানবন্দরে যাত্রীদের উদ্বেগ এবং চাহিদা আঁচ করার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসারদের বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাঁরা যাত্রীদের সহায়তা প্রদান এবং কোনও সমস্যা সমাধানের জন্য সক্রিয় থাকবেন। উড়ান মিস করা, মালপত্র আসতে দেরি, সংযোগ কিংবা সমন্বয়ের ঘাটতি-সহ নানা অপ্রত্যাশিত সমস্যার মোকাবিলা করার জন্যও অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
অন্যান্য এয়ার ইন্ডিয়া আধিকারিক এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এজেন্সির কর্মীদের পাশাপাশি বিমানবন্দরে থাকবেন ওই অফিসাররাও। এর জন্য ইতিমধ্যেই অবশ্য সমস্ত বিমানবন্দরে শতাধিক এই ধরনের অফিসারকে নিয়োগ করা হয় হয়েছে। কেবিন ক্লাস নির্বিশেষে সমস্ত এয়ার ইন্ডিয়া যাত্রীরা এই সুবিধা পাবেন।
ডোগরা বলেন, “অনেক সময় বহু বিমান যাত্রীদের জন্য বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। যাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও সহজ আর সুন্দর করে তোলার জন্য প্রজেক্ট অভিনন্দন হল আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা। ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে এটা আলাদাই একটা ছাপ রাখতে পারে।”
